ছয়তলা বাড়ির মালিকের ছেলের প্রতিবাদ, প্রতিবেদন বাস্তবের বিপরীত দাবি
ছয়তলা বাড়ির মালিকের ছেলের প্রতিবাদ, প্রতিবেদন বাস্তবের বিপরীত

‘ছয়তলা বাড়ির মালিক হয়েও ভাড়া বাসায় বৃদ্ধ বাবা, ছেলের বিরুদ্ধে মামলা’ শিরোনামে ৬ জুন প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ওই বৃদ্ধের ছেলে এম এম মাহমুদ সাইদ। তাঁর দাবি, প্রতিবেদনে বাবাকে বাড়িছাড়া করেছেন এবং বাড়ির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করেছেন বলে যে বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে, সেটি বাস্তব ঘটনার সম্পূর্ণ বিপরীত।

প্রতিবাদপত্রে যা বলেছেন মাহমুদ সাইদ

এক প্রতিবাদপত্রে মাহমুদ সাইদ বলেন, ‘আমি কখনোই জোর করে কোনো ফ্ল্যাট দখল করিনি এবং কখনোই পুরো বাড়ি দখল করার কোনো চেষ্টা করিনি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার মা বা আমার পরিবারের কেউ আমার বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে কোনো মামলা করিনি। আমি বাবাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করিনি, কোথাও গিয়ে বা ফোন করে কাউকে হুমকিও দিইনি। বাড়ি দখল নিয়ে বাবা-ছেলে ও ভাইদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি মামলা একাধিক বিষয়টিও সঠিক নয়।’

প্রতিবেদনে উল্লেখিত অভিযোগ

প্রতিবেদনে বলা হয়, মাহমুদ সাইদ ও তাঁর সহযোগীরা বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে তাঁর বাবাকে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করেছেন। যাঁরা তাঁকে আশ্রয় দেন, তাঁদেরও চাপ দেওয়া হয়। এমনকি তাঁকে আশ্রয় দেওয়ার কারণে বড় ছেলের বিরুদ্ধেও মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মাহমুদ সাইদ বলেন, ‘প্রতিবেদনে ওয়াহিদ জোবায়ের বলেছেন যে আমার পরামর্শে বাড়ির ভাড়াটে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এই বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।’

মামলার বর্তমান অবস্থা

মাহমুদ সাইদের দাবি, প্রতিবেদনে বাড়ির দখল পুনরুদ্ধারের মামলার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। সেই মামলায় করা অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। তবে প্রতিবেদকের বক্তব্য অনুযায়ী, মামলাটি এখনো চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়নি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রথম আলোর অবস্থান

প্রথম আলো জানিয়েছে, প্রতিবেদনে মাহমুদ সাইদের বিরুদ্ধে বাড়ি দখলের যে অভিযোগের উল্লেখ রয়েছে, তা তাঁর বাবা ও ওই বাড়ির মালিক এম মো. আলীর বক্তব্যে এসেছে। মামলার বিষয়টিও মো. আলী বলেছেন এবং সেই মামলার বিষয়ে পুলিশের বক্তব্যও নেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনটি প্রকাশের সময় সম্পাদকীয় নীতিমালা অনুসারে মাহমুদ সাইদের বক্তব্য নেওয়া হয় এবং প্রতিবেদনে তা যুক্তও রয়েছে।