সাতকানিয়ায় হাতুড়ির আঘাতে জামায়াত কর্মী নিহত
সাতকানিয়ায় হাতুড়ির আঘাতে জামায়াত কর্মী নিহত

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় মুখোশধারী দুর্বৃত্তদের হাতুড়ির আঘাতে জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মী নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার ভোর পাঁচটার দিকে চট্টগ্রাম নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এর আগে গতকাল রোববার দিবাগত রাত ১১টার দিকে সাতকানিয়ার রাস্তার মাথা এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে তাঁর ওপর হামলা করে মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা।

নিহতের পরিচয় ও মামলার তথ্য

নিহত ব্যক্তির নাম মো. শাহাদাত (৩০)। তিনি সাতকানিয়া উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়নের মাইজপাড়া এলাকার মৃত শফি আহমদের ছেলে। বিবাহিত শাহাদাত চার সন্তানের জনক। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

হামলার ঘটনার বিবরণ

শাহাদাতের বড় ভাই মোবারক হোসেন বলেন, ‘কয়েক মাস আগে আমাদের এলাকা থেকে ইয়াবাসহ লোহাগাড়া উপজেলার এক চিহ্নিত সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করে যৌথ বাহিনী। ওই সন্ত্রাসীকে ধরিয়ে দেওয়ার পেছনে তাঁর লোকজন আমার ভাইকে সন্দেহ করত। হামলার ঘটনায় তাঁদের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঘটনার বিবরণ দিয়ে মোবারক হোসেন বলেন, ‘শাহাদাতের একটি চায়ের দোকান রয়েছে। রাতে সে তার দোকানে বসে ছিল। এ সময় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে মুখোশধারী সন্ত্রাসীদের ১৫ সদস্যের একটি দল সেখানে আসে। এরপর শাহাদাতের মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে। স্থানীয় বাসিন্দারা তার চিৎকারে এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে এবং পরে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়।’

জামায়াতের প্রতিক্রিয়া ও পুলিশের কার্যক্রম

উপজেলা জামায়াতের আমির কামাল উদ্দিন বলেন, ‘শাহাদাত জামায়াতে ইসলামীর কর্মী। তিনি আমাদের কর্মসূচিতে সব সময় সক্রিয় ছিলেন। তাঁকে এভাবে হত্যার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মঞ্জুরুল হক বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে ও হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চালাচ্ছে।