গুজব ছড়ানোর দায়ে সারজিস ও মিতুর ক্ষমা চাওয়া উচিত: আবু হানিফ
গুজব ছড়ানোর দায়ে সারজিস ও মিতুর ক্ষমা চাওয়া উচিত

গুজব ছড়ানোর দায়ে এনসিপি নেতা সারজিস আলম এবং ডা. মাহমুদা মিতুর প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ। শনিবার (২৩ মে) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে তিনি এই মন্তব্য করেন।

দ্বৈত মানদণ্ডের অভিযোগ

আবু হানিফ লেখেন, "অভিযোগ যখন ছাত্রদল কিংবা বিএনপির বিরুদ্ধে উঠেছিল তখন সেটিকে ‘অস্ত্র’ বলা হয়েছিল। কিন্তু একই ধরনের জিনিস যখন এনসিপির এক কর্মীর হাতে দেখা গেল তখন সেটিকে বলা হচ্ছে ‘সেলফ ডিফেন্স স্টিক’। এই দ্বৈত মানদণ্ড কিভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে?"

তিনি বলেন, "রাজনীতিতে ন্যূনতম সততা ও নৈতিকতা থাকলে একই ঘটনার ক্ষেত্রে সবার জন্য একই মানদণ্ড প্রয়োগ করতে হয়। ব্যক্তি বা দল ভেদে ব্যাখ্যা বদলে গেলে সেটি আর ন্যায়বিচার বা নিরপেক্ষতা থাকে না, বরং রাজনৈতিক সুবিধাবাদের প্রকাশ হয়ে দাঁড়ায়।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গুজব ছড়ানোর দায়

তিনি আরও বলেন, "সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে, শুরুতেই সারজিস আলম ও ডা. মাহমুদা মিতু যাচাই বাছাই ছাড়াই সামাজিক মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজব ছড়িয়েছেন। পরে সমালোচনার মুখে তারা সেই পোস্ট ডিলিট করেছেন। কিন্তু পোস্ট ডিলিট করলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। কারণ একটি গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর সেটি সমাজে বিভ্রান্তি, উত্তেজনা ও রাজনৈতিক বিদ্বেষ তৈরি করে। তাই গুজব ছড়ানোর দায়ে তাদের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত।"

হামলার নিন্দা

আবু হানিফ আরও বলেন, "একইসঙ্গে এটাও পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, ঝিনাইদহে বিএনপির কিছু নেতাকর্মী যেভাবে হামলা করেছে, সেটি কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কঠোর সমালোচনাও হতে পারে। কিন্তু তার জবাব হামলা, ভয়ভীতি বা সহিংসতার মাধ্যমে দেওয়া কখনও গণতান্ত্রিক রাজনীতির ভাষা হতে পারে না।"

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি বলেন, "যারা হামলার সঙ্গে জড়িত ছিল তাদের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বিচারের আওতায় আনা উচিত। কারণ বিচারহীনতা শুধু সহিংসতাকে আরও উৎসাহিত করে। আমাদের মনে রাখতে হবে রাজনীতিতে ভিন্নমত, সমালোচনা ও তর্ক থাকবে। কিন্তু সহিংসতা কখনও সমাধান নয়। গণতন্ত্রের শক্তি যুক্তিতে, সহনশীলতায় ও রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে। হামলা বা গুজবে নয়।"