প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপহার পেলেন ধানের শীষধারী সিকিউরিটি গার্ড
প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেলেন ধানের শীষধারী গার্ড

রাজধানীর ব্যস্ত সড়কের পাশে একটি ব্যাংকের এটিএম বুথে প্রতিদিনের মতো দায়িত্ব পালন করেন সাধারণ সিকিউরিটি গার্ড আবদুস সালাম। দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তাঁর আরেকটি অভ্যাস ছিল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়িবহর ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় হাতে ধানের শীষ নিয়ে সম্মান জানিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা। সেই দৃশ্য লক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর উপহার

আজ বুধবার তিনি ধানের শীষ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা সেই আবদুস সালামকে উপহার পাঠিয়েছেন। আজ সকালে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন রাজধানীর রমনায় গিয়ে আবদুস সালামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তাঁর হাতে কিছু উপহার তুলে দেন। এ সময় আবদুস সালামের শারীরিক অবস্থা ও তাঁর পরিবারের খোঁজখবরও নেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর উপ–প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা এসব তথ্য জানান। এই কর্মকর্তা আরও জানান, আবদুস সালামের বাড়ি পাবনার নগরবাড়ী ঘাট এলাকায়। আট মাস ধরে রাজধানীর সাবেক রমনা থানার সামনের একটি বেসরকারি ব্যাংকের বুথে সিকিউরিটি গার্ডের কাজ করছেন। এর আগে তিনি গাড়ি চালাতেন। স্ট্রোক করার পর আর গাড়ি চালাতে পারেন না। গাড়ির স্টিয়ারিং ছেড়ে এই সিকিউরিটি গার্ডের কাজ নেন তিনি। অসুস্থ শরীর নিয়েই প্রতিদিন বিরতিহীন সকাল আট থেকে রাত আটটা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টা কাজ করেন তিনি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আবদুস সালামের প্রতিক্রিয়া

প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন আবদুস সালাম। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, কখনো কল্পনাও করিনি এটি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হবে। আর প্রধানমন্ত্রী তাঁর জন্য উপহার পাঠাবেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আবদুস সালাম আরও বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাবাকে ভালোবাসি, মাকে ভালোবাসি, প্রধানমন্ত্রীকে ভালোবাসি। প্রধানমন্ত্রী আমার জানের টুকরা। তিনি যখন এই পথ দিয়ে যান, আমি প্রতিদিনই প্রধানমন্ত্রীকে সালাম দিই। তিনিও আমাকে গাড়ির ভেতর থেকে সব দিনই হেসে সালাম দেন। হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রীর হাসি দেখলে আমার মন জুড়িয়ে যায়। আজ আমার জীবনের সেরা দিন। সবচেয়ে আনন্দের দিন। প্রধানমন্ত্রী আমার মতো ক্ষুদ্র মানুষকে উপহার পাঠিয়েছেন। এর চেয়ে আনন্দের আর কী হতে পারে।’