ঈদের ছুটিতেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অফিসে উপস্থিতি, মন্ত্রিসভার বৈঠকে অংশগ্রহণ
ঈদের ছুটিতে প্রধানমন্ত্রীর অফিসে উপস্থিতি, মন্ত্রিসভার বৈঠক

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সারাদেশে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হলেও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে কোনো বিরতি নেননি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছুটির মধ্যেও তিনি মন্ত্রিসভার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ বৈঠকে অংশ নিতে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে উপস্থিত হন, যা তার অক্লান্ত পরিশ্রম ও দেশপ্রেমের নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ছুটির দিনেও প্রধানমন্ত্রীর অফিসে উপস্থিতি

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) শবে কদরের ছুটির মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ঈদের অবকাশ শুরু হয়। তবে এদিন সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে পৌঁছে দাফতরিক কার্যক্রমে যোগ দেন, যা সাধারণ ছুটির দিনে একটি অসাধারণ ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত।

মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এম এ সাত্তার এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, সাধারণ ছুটির দিনেও প্রধানমন্ত্রী নিয়মিতভাবে অফিস করছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্রিয় রয়েছেন। সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি ও মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার।

এদিনের কর্মসূচির মধ্যে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে দেশের বিভিন্ন জরুরি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৈঠকের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিতে স্বাক্ষর করেন এবং দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে গভীর আলোচনা করেন।

রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম সচল রাখার প্রচেষ্টা

ছুটির সময়েও প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের সক্রিয়তা রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম সচল রাখার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা জনগণের প্রতি তার দায়বদ্ধতা ও নেতৃত্বের প্রতিফলন ঘটায়। একই সঙ্গে ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণেও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে বলে জানা গেছে, যা ছুটির সময়েও দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।

এই ঘটনা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অদম্য কর্মস্পৃহা এবং রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে নিবেদিতপ্রাণ মনোভাবের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে ইতিহাসে স্থান পাবে বলে বিশ্লেষকরা মত প্রকাশ করেছেন।