ছুটির দিনেও প্রধানমন্ত্রীর অফিসে কর্মব্যস্ততা: পাট ও জ্বালানি খাতে বৈঠক
ছুটির দিনে প্রধানমন্ত্রীর অফিসে বৈঠক ও কর্মতৎপরতা

ছুটির দিনেও প্রধানমন্ত্রীর অফিসে কর্মব্যস্ততা: পাট ও জ্বালানি খাতে বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার (০৭ মার্চ ২০২৬) জাতীয় ছুটির দিনেও দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন। তিনি দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছান এবং এরপর বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর টানা তিন শনিবারই তিনি কার্যালয়ে অফিস করেছেন, যা তার কর্মনিষ্ঠার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পাটজাত পণ্যের বহুমুখী ব্যবহার নিয়ে বৈঠক

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রথম বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক কৃষিবিদ ড. নার্গীস আক্তার। এই বৈঠকে পাটজাত পণ্যের বহুমুখী ব্যবহার বাড়ানো এবং বাজার সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাট শিল্পের উন্নয়ন ও রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য এই বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে জানা গেছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ব্যয় কমানোর আলোচনা

দুপুর আড়াইটার দিকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। এই বৈঠকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ব্যয় কমানো এবং কার্যকর জ্বালানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। জ্বালানি সাশ্রয় ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপদেষ্টা ও কর্মকর্তাদের উপস্থিতি

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, অর্থবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং শিক্ষা ও প্রবাসী কল্যাণবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন কার্যালয়ে দাপ্তরিক কাজে অংশ নিয়েছেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ছালেহ শিবলি, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন, যা সরকারের সমন্বিত কাজের ধারা নির্দেশ করে।

ইফতার মাহফিলে যোগদানের পরিকল্পনা

অন্যদিকে, দেশের ওলামা-মাশায়েখ ও এতিমদের সম্মানে শনিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। কার্যালয়ের দাপ্তরিক কাজ শেষ করে তিনি সেখানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে, যা তার সামাজিক দায়িত্ববোধ ও সম্প্রীতির বার্তা বহন করে। এই ইফতার মাহফিল ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই কর্মতৎপরতা সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের গতি বজায় রাখার প্রতিশ্রুতিরই ইঙ্গিত দিচ্ছে। ছুটির দিনেও তার অফিসে উপস্থিতি জাতীয় অগ্রগতির জন্য তার অঙ্গীকারের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।