প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ যাত্রায় রাষ্ট্রাচার সংক্ষিপ্তকরণ: নতুন নির্দেশনা জারি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিদেশে যাওয়া এবং ফেরার সময় বিমানবন্দরে রাষ্ট্রাচার সংক্রান্ত নতুন নির্দেশনা চালু করা হয়েছে। আগের নির্দেশনায় ১৮ জন কর্মকর্তার উপস্থিতির কথা বলা হলেও এখন মাত্র চারজন উপস্থিত থাকবেন।
নতুন নির্দেশনার বিবরণ
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আজ বৃহস্পতিবার একটি চিঠি জারি করে সংশ্লিষ্টদের এই রাষ্ট্রাচার অনুসরণের জন্য বলেছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ যাত্রা ও প্রত্যাবর্তনের সময় বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকবেন:
- মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠতম একজন মন্ত্রী
- জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ
- মন্ত্রিপরিষদ সচিব
- প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব
এই চারজন ব্যতীত অন্য কোনো কর্মকর্তা বা প্রতিনিধির উপস্থিতির প্রয়োজন হবে না।
পূর্বের নির্দেশনা বাতিল
এর আগে, ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিদেশ যাত্রা ও ফেরার সময় রাষ্ট্রাচার নিয়ে একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল। সেই নির্দেশনায় মোট ১৮ জনের উপস্থিতির কথা উল্লেখ ছিল, যাদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন:
- উপদেষ্টা পরিষদের জ্যেষ্ঠতম একজন উপদেষ্টা
- পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
- প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সংযুক্ত উপদেষ্টা
- ডিপ্লোমেটিক কোরের প্রধান
- স্বাগতিক দেশের মিশনপ্রধান
- মন্ত্রিপরিষদ সচিব
- সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধান
- মুখ্য সচিব
- প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব
- জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব
- বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব
- পররাষ্ট্রসচিব
- পুলিশের মহাপরিদর্শক
- প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের মহাপরিচালক
- জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রাচারপ্রধান
নতুন নির্দেশনা জারির পর এই পূর্বের নির্দেশনাটি সম্পূর্ণরূপে বাতিল করা হয়েছে। এই পরিবর্তনটি সরকারি রাষ্ট্রাচার প্রক্রিয়াকে আরও সংক্ষিপ্ত ও কার্যকর করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই সিদ্ধান্তটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কার্যকালে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল সংক্রান্ত একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। এটি সরকারি কর্মকাণ্ডের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি পদক্ষেপ হতে পারে।
