ছুটির দিনেও প্রধানমন্ত্রীর অফিসে উপস্থিতি, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কর্মকর্তাদের তৎপরতা চাইলেন
ছুটির দিনে প্রধানমন্ত্রীর অফিসে উপস্থিতি, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে তাগিদ

ছুটির দিনেও প্রধানমন্ত্রীর অফিসে উপস্থিতি, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কর্মকর্তাদের তৎপরতা চাইলেন

প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমান শনিবার সরকারি ছুটির দিনেও অফিসে উপস্থিত হয়ে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে কর্মকর্তাদের তৎপর হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। গত সপ্তাহের মতোই ছুটির দিনে অফিসে উপস্থিতির এই পদক্ষেপটি মূল নীতি অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে গতি বজায় রাখার তার চেষ্টার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৈঠক ও তাগিদ

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, তারিক রহমান শনিবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে (পিএমও) পৌঁছান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সকালে গুলশানের বাসভবন থেকে বের হয়ে তেজগাঁওয়ে তার অফিসে যান, যেখানে তিনি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন।

বৈঠকের সময় তারিক রহমান তার নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে তাদের সহযোগিতা চেয়েছেন বলে রুমন যোগ করেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, ইসমাইল জাবিউল্লাহ, হুমায়ুন কবির, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এটিএম শামসুল ইসলাম ও জাহেদুর রহমানের পাশাপাশি প্রধান সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার উপস্থিত ছিলেন।

ছুটির দিনে কাজের ধারাবাহিকতা

তারিক রহমান ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে প্রতি শনিবার সরকারি সাপ্তাহিক ছুটি থাকা সত্ত্বেও অফিসে উপস্থিত হচ্ছেন। গত শনিবার তিনি প্রথমবারের মতো তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কাজ করেছিলেন। এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে তিনি এবারও ছুটির দিনে অফিসে এসে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে জোর দিয়েছেন।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী বিকেলে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত একটি ইফতার মাহফিলে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এই কর্মসূচি তার ব্যস্ত সময়সূচিরই অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগটি সরকারের কাজের গতি ও অঙ্গীকার বাস্তবায়নে তার আগ্রহের প্রতিফলন ঘটাচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ছুটির দিনেও অফিসে উপস্থিত হয়ে তিনি কর্মকর্তাদের মধ্যে দায়িত্বশীলতা ও তৎপরতা বৃদ্ধির বার্তা দিয়েছেন, যা প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আনতে পারে।