প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য: পিলখানা হত্যাকাণ্ড সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পিলখানা হত্যাকাণ্ডকে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এই ঘটনার মাধ্যমে জাতীয় নিরাপত্তার দুর্বলতা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সেনানিবাসের মাল্টি পারপাস হলে অনুষ্ঠিত শহীদ দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর সেনা পরিবারের সঙ্গে সংযোগ
প্রধানমন্ত্রী সভায় বলেন, “আমি কেবল জনপ্রতিনিধি হিসেবে নয়, সেনা পরিবারের সদস্য হিসেবে আজ আপনাদের সঙ্গে উপস্থিত। দেশে ফেরার পর শহীদদের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে দেখেছি, গত ১৭ বছর শহীদ পরিবারের সদস্যরা বিচারের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন।” তিনি আরও বলেন, “পিলখানা হত্যাকাণ্ডকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা সবার দায়িত্ব। সেনাবাহিনী আমাদের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। এই ঘটনায় জাতীয় নিরাপত্তার দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তাই বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করতে হবে।”
ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকানো
প্রধানমন্ত্রী ইতিহাস তুলে ধরে উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার সময় চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন। সেই সময় সেনাবাহিনী ও ইপিআরের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করে গৌরবময় ইতিহাসের সাক্ষী হয়েছেন। পরবর্তীকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে পুনর্গঠন ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন শুরু করেছিলেন।
শহীদ পরিবারের কল্যাণে প্রতিশ্রুতি
সভায় প্রধানমন্ত্রী শহীদ পরিবারের সদস্যদের কল্যাণের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, “শহীদ পরিবারের সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।” এই প্রতিশ্রুতি শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য একটি আশার আলো হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের গুরুত্বকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরেছে। তিনি সেনাবাহিনীর ভূমিকা ও শহীদ পরিবারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেছেন।
