প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের স্কুলজীবন: 'ফার্স্ট বয়' হিসেবে স্মরণীয়
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর জাহেদ উর রহমানের স্কুলজীবনের স্মৃতিগুলো আবারও আলোচনায় এসেছে। চট্টগ্রামের রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনার কর্ণফুলী পেপার মিল (কেপিএম) স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র ও শিক্ষকরা তাঁর মেধা ও নম্র স্বভাবের কথা স্মরণ করছেন।
সহপাঠীদের আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি
জাহেদ উর রহমানের সহপাঠী জাকির হোসেন উচ্ছ্বসিত হয়ে বলেন, 'জাহেদ উর রহমান স্কুলে কখনো দ্বিতীয় হননি। আমাদের কাছে তাঁর পরিচিতি ছিল “ফার্স্ট বয়” হিসেবে। আমাদের সহপাঠী সেই “ফার্স্ট বয়” এখন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, এটা ভাবতেই খুব আনন্দ হচ্ছে।' তিনি আরও উল্লেখ করেন যে জাহেদ উর রহমান ছিলেন খুব শান্তশিষ্ট ও নম্র, এবং সব শ্রেণিতে প্রথম হয়েছেন।
শিক্ষকদের প্রতিক্রিয়া ও স্মৃতিচারণ
কেপিএম স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক প্রসেনজিৎ তালুকদার বলেন, 'জাহেদ আমার ছাত্র ছিল। খুব মেধাবী ছিল সে। আমরাও তাকে খুব পছন্দ করতাম।' স্কুলের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ নাজমুল হুদা যোগ করেন, 'উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান কেপিএম স্কুলের ৯১ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিল। তার এই সাফল্যে আমরা সবাই ভীষণ আনন্দিত। স্কুলের মুখ উজ্জ্বল করেছে সে।'
স্থানীয় সম্প্রদায়ের গর্বের বিষয়
কাপ্তাই উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্ত বলেন, 'ডা. জাহেদ উর রহমান আমাদের এক ব্যাচ সিনিয়র এবং আমার শ্বশুরের ছাত্র ছিলেন। যোগ্য মানুষ হিসেবেই তিনি উপদেষ্টা হয়েছেন। এটা আমাদের জন্য গর্বের।' চন্দ্রঘোনার বাসিন্দা হিসেবে জাহেদ উর রহমানের শৈশব এই অঞ্চলে কেটেছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে বিশেষ আবেগ তৈরি করেছে।
জাহেদ উর রহমানের বাবা আজিজুর রহমানের কর্মসূত্রে চন্দ্রঘোনায় থাকতেন তিনি, এবং কর্ণফুলী নদীর তীরঘেঁষা এই ছোট্ট শিল্প শহরে তাঁর শৈশবের অনেকটা সময় কেটেছে। তাঁর শিক্ষাজীবনের এই সাফল্য এখন জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি পেয়েছে, যা তাঁর প্রাক্তন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এলাকাবাসীর জন্য অত্যন্ত গৌরবের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
