জাতীয় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
রাষ্ট্র ও সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার দৃঢ়ভাবে বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার নিজ জেলা বগুড়ায় দেশের প্রথম ইলেকট্রনিক জামিননামা ব্যবস্থাপনা ‘ই-বেইলবন্ড’ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।
স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন যে, আর কোনো স্বৈরাচার যেন জনগণের মৌলিক অধিকার কেড়ে নিয়ে ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করতে না পারে, তা বর্তমান সময়ের অন্যতম প্রধান দাবি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ন্যায় প্রতিষ্ঠা আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার একটি অপরিহার্য উপাদান, যা মূলত নৈতিকতা, আইন ও মানুষের প্রাপ্ত অধিকারের মৌলিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠায় বিচারকদের ভূমিকাকে মুখ্য হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ কারণেই স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার দার উন্মোচন করেছিলেন। এটি একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ যা রাষ্ট্রের ন্যায়বিচার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
বগুড়া সফরের কর্মসূচি ও উদ্বোধনী কার্যক্রম
এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী বগুড়া সার্কিট হাউসে পৌঁছালে জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান তাকে ফুল দিয়ে উষ্ণ সংবর্ধনা জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী জেলা আইনজীবী সমিতির নতুন বহুতল ভবন উদ্বোধন করেন, যা আইন পেশার উন্নয়নে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
পরে আদালতের কনফারেন্স রুমে তিনি দেশের প্রথম ইলেকট্রনিক জামিননামা ব্যবস্থাপনা ‘ই-বেইলবন্ড’ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এই উদ্ভাবনী ব্যবস্থা ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম বগুড়া সফর
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তারেক রহমানের প্রথম বগুড়া সফর। এই সফরে তিনি স্থানীয় উন্নয়ন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন, যা জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।



