৫টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ৪৮৩ কোটি টাকা
৫টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ৪৮৩ কোটি

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে ৫টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ইসিনেক) সোমবার পাঁচটি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করেছে, যার আনুমানিক মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৮৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। মোট প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে ৩৯০ কোটি ৮৪ লাখ টাকা সরকারি কোষাগার থেকে এবং ৯২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা প্রকল্প ঋণ বা অনুদানের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে প্রথম সভা

২০২৫-২৬ অর্থবছরের নবম এবং বর্তমান সরকারের প্রথম ইসিনেক সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রাজধানীর ক্যাবিনেট বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সভাপতিত্ব করেন।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর বিস্তারিত

সোমবার অনুমোদন পাওয়া পাঁচটি প্রকল্পের বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • সাধারণ সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-২ (জিএসআইডিপি-২): স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) পরিচালিত এই প্রকল্পের বাজেট বাড়িয়ে ১,৪৫০ কোটি টাকা করা হয়েছে এবং প্রকল্পটি জুন ২০২৭ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
  • চর উন্নয়ন ও বসতি স্থাপন প্রকল্প-৪ (সিডিএসপি-৪): এই প্রকল্পের মোট ব্যয় কমিয়ে ৩০ কোটি ৭১ লাখ ৮৬ হাজার টাকা করা হয়েছে, যা পূর্বের তুলনায় একটি উল্লেখযোগ্য হ্রাস।
  • আইটি প্রশিক্ষণ ও ইনকিউবেশন সেন্টার প্রকল্প: এই প্রকল্পের ব্যয় ২২৮ কোটি ৪৪ লাখ ৫৪ হাজার টাকা বাড়ানো হয়েছে, ফলে মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৫৩৩ কোটি ৫৪ লাখ ৯২ হাজার টাকা। প্রকল্পটি জুন ২০২৬ পর্যন্ত চলমান থাকবে।
  • আটটি বিভাগীয় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডায়াগনস্টিক ইমেজিং সুবিধা আধুনিকীকরণ: এই প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বাড়িয়ে ১,২১৩ কোটি ৭০ লাখ ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে এবং প্রকল্পের সময়সীমা বাড়িয়ে জুন ২০২৮ করা হয়েছে।
  • গোপালগঞ্জ ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা (২য় সংশোধন): এই প্রকল্পের ব্যয় ২৬ কোটি ৪৯ লাখ টাকা বাড়ানো হয়েছে, ফলে মোট বাজেট দাঁড়িয়েছে ১৩৯ কোটি ৩০ লাখ ৯৩ হাজার টাকা। প্রকল্পটি জুন ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।

এই প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবকাঠামো, স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সরকারি অর্থ ও বৈদেশিক সহায়তার সমন্বয়ে বাস্তবায়িত এই উদ্যোগগুলো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।