সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য নতুন নির্দেশ: সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত অফিসে অবস্থান বাধ্যতামূলক
সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য অফিসে অবস্থানের নতুন নির্দেশ

সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য নতুন নির্দেশ: অফিসে অবস্থান ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় বাধ্যতামূলক

সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত সকল কর্মকর্তাকে নিজ নিজ অফিস কক্ষে অবস্থান করতে হবে। এই নির্দেশ কেবিনেট বিভাগের পূর্ববর্তী নির্দেশনা অনুসরণ করে জারি করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষার নির্দেশ

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, অফিসে দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করা, বিদ্যুৎ ও শক্তি সাশ্রয় করা এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে যে, পূর্বের নির্দেশনা থেকে বিচ্যুতি লক্ষ্য করা গেছে, তাই কঠোরভাবে নির্দেশনা মেনে চলার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

নির্দেশে আরও বলা হয়েছে:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • প্রয়োজন অনুযায়ী প্রাকৃতিক আলোর ব্যবহার করতে হবে
  • কেবল প্রয়োজনীয় সংখ্যক লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনার ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হবে
  • এয়ার কন্ডিশনারের তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি রাখতে হবে
  • অফিস থেকে বের হওয়ার সময় সকল বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ করতে হবে

কী কী বন্ধ করতে হবে?

অফিস ত্যাগের সময় নিম্নলিখিত বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে:

  1. লাইট ও ফ্যান
  2. এয়ার কন্ডিশনার
  3. কম্পিউটার, প্রিন্টার ও স্ক্যানার

এছাড়াও করিডোর, সিঁড়ি, ওয়াশরুম ও অন্যান্য এলাকায় অপ্রয়োজনীয় আলো ব্যবহার এড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই ব্যবস্থা বিদ্যুৎ খরচ কমাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে

পরিচ্ছন্নতা রক্ষা ও মনিটরিং ব্যবস্থা

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে অফিস পরিচ্ছন্ন রাখার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • কক্ষ, করিডোর, টয়লেট, সিঁড়ি ও হ্যান্ডরেল পরিষ্কার রাখতে হবে
  • প্রতিটি বিভাগ বা সংস্থাকে নির্দেশনা বাস্তবায়ন মনিটরিং করার জন্য সতর্কতা দল গঠন করতে হবে
  • এই দলগুলো নির্দেশনা মেনে চলা নিশ্চিত করবে

মন্ত্রণালয়ের এই পদক্ষেপ সরকারি অফিসের কার্যক্রমে শৃঙ্খলা আনার পাশাপাশি জাতীয় সম্পদের সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। নির্দেশনা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।