ঈদুল ফিতরের ছুটি বাড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসছে বৃহস্পতিবার
ঈদুল ফিতরের ছুটি বাড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার

ঈদুল ফিতরের ছুটি বাড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসছে বৃহস্পতিবার

আসন্ন ঈদুল ফিতরের জন্য নির্ধারিত পাঁচ দিনের সরকারি ছুটি আরও বাড়ানোর বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছে সরকার। ঈদের সময় ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন ও স্বস্তিদায়ক করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে

জানা গেছে, ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব ইতোমধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে। চলতি বছর রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হলে আগামী ২১ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। এ হিসাব ধরে ঈদের ছুটি নির্ধারণ করেছে সরকার।

সরকার ঘোষিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন সাধারণ ছুটি থাকবে। এছাড়া ১৯ ও ২০ মার্চ ঈদের আগে এবং ২২ ও ২৩ মার্চ ঈদের পরে নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে ১৯ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ছুটি পাবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তবে নতুন করে দুদিন ছুটি বাড়ানো হতে পারে বলে জানা গেছে, যা যাত্রীদের জন্য আরও সুবিধাজনক হতে পারে।

গত বছরের অভিজ্ঞতা ও মন্ত্রীর বক্তব্য

গত বছর ঈদে দীর্ঘ ছুটি থাকায় ঈদযাত্রা তুলনামূলকভাবে নির্বিঘ্ন ছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, আসন্ন ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে ছুটি বাড়ানোর বিষয়টি সরকার বিবেচনা করবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘ ছুটি যাত্রীদের পর্যায়ক্রমে ভ্রমণের সুযোগ দেবে, যা যানজট ও চাপ কমাতে সহায়ক হবে।

ছুটি বাড়ানোর বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমে বলেন, "ঈদে ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি কমাতে ছুটি বাড়ানোর একটি প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। ছুটি দীর্ঘ হলে মানুষ পর্যায়ক্রমে বাড়ি যেতে পারবেন, এতে একসঙ্গে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হবে না।" তবে তিনি স্পষ্ট করে জানাননি কতদিন ছুটি বাড়ানো হতে পারে, এবং এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা।

সরকারের এই উদ্যোগটি ঈদযাত্রীদের জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা যাত্রা সহজ ও নিরাপদ করতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যাচ্ছে।