ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের লক্ষ্যে ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে সরকার
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের লক্ষ্যে ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন

সরকার ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের জন্য একটি বিশেষ মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে, যা ১৫ সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত। এই কমিটি গঠনের প্রজ্ঞাপন বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কমিটি বিষয়ক অধিশাখা থেকে জারি করা হয়েছে।

কমিটির নেতৃত্ব ও সদস্যবৃন্দ

কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এছাড়া কমিটিতে আরও ১৪ জন সদস্য রয়েছেন, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:

  • মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী
  • উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর
  • স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী
  • মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী
  • উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন
  • উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ
  • মন্ত্রিপরিষদ সচিব
  • মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব
  • নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব
  • অর্থ বিভাগের সচিব
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব
  • স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব
  • পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব
  • সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কমিটিতে 'সচিব' পদটি সিনিয়র সচিবদেরও অন্তর্ভুক্ত করবে।

কমিটির কার্যপরিধি ও সময়সীমা

এই কমিটির প্রধান লক্ষ্য হলো আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা। এজন্য কমিটিকে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

কমিটির কার্যপরিধিতে নিম্নলিখিত দায়িত্বসমূহ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:

  1. ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের জন্য একটি উপযুক্ত ডিজাইন প্রণয়ন এবং সুবিধাভোগী নির্বাচন পদ্ধতি তৈরি করা।
  2. প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ৮টি বিভাগের প্রতিটিতে একটি করে উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড প্রবর্তনের ব্যবস্থা গ্রহণ।
  3. নারীদের জন্য বিদ্যমান অন্য কোনো কর্মসূচিকে ভিত্তি হিসাবে ব্যবহার করা যায় কিনা তা পর্যালোচনা করা।
  4. সুবিধাভোগীদের ডাটাবেজ প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র ও National Household Database-এর আন্তঃসংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে একটি ডিজিটাল MIS (Management Information System) প্রণয়নের সুপারিশ করা।

এই উদ্যোগটি সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় পরিবারগুলোর কাছে সহায়তা পৌঁছে দিতে সহায়তা করবে।