গাজীপুরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যানবাহন চলাচলের অযোগ্য
গাজীপুরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যানবাহন চলাচলের অযোগ্য

নগরীর অতি গুরুত্বপূর্ণ গাজীপুর জেলা রেজিস্ট্রি কমপ্লেক্স ভবনে যাতায়াতের প্রধান সালনা-মারিয়ালী হয়ে বিলাশপুর বটতলা-জয়দেবপুর সড়কটি যানবাহন চলাচলের প্রায় অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ফলে এ সড়ক দিয়ে চলাচলকারী স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, রেজিস্ট্রি কমপ্লেক্সে আসা সেবাপ্রত্যাশী লোকজন ছাড়াও যাত্রী সাধারণকে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

সড়কটির গুরুত্ব ও বর্তমান অবস্থা

জানা গেছে, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সালনা বাজার ফুটওভার ব্রিজসংলগ্ন মোড় থেকে বিলাসপুর বটতলা পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার সড়কটি গাজীপুর মহানগরীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম সড়ক। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হলে ঢাকাগামী বাসসহ ও স্থানীয় বিভিন্ন যানবাহন বিকল্প রাস্তা হিসেবে এ সড়কটি ব্যবহার করে থাকে। এছাড়া নগরীর সালনা, কাউলতিয়া, ভাওয়াল মির্জাপুরসহ আশেপাশের এলাকা থেকে হাজার হাজার লোকজন প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে নগর ভবনসহ বিভিন্ন অফিস-আদালতে যাতায়াত করে থাকে। ফলে এই সড়কে যানবাহনের চাপ থাকে বেশি।

পাঁচ বছর আগে কারপেটিং, এরপর আর উন্নয়ন নেই

ব্যস্ততম এ সড়কটি গাজীপুর সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ বিগত পাঁচ বছর আগে জাইকার প্রকল্পের মাধ্যমে কারপেটিং করে। এরপর থেকে এ সড়কে আর কোনো উন্নয়ন হয়নি। এই সড়কের পাশে মারিয়ানী এলাকায় গাজীপুর জেলা রেজিস্ট্রি কমপ্লেক্স স্থাপন হওয়ায় সড়কটির গুরুত্ব যেমন বেড়েছে তেমনি সড়কে যানবাহনের সংখ্যাও অনেক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সংস্কারের দাবি ও কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া

সড়কটির প্রয়োজনীয় মেরামত ও আরসিসি ঢালাই করে নির্মাণের জন্য গাজীপুর সদর দলিল লিখক ও ভেন্ডার কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ বরাবর ইতিপূর্বে আবেদন করা হয়। কিন্তু এ ব্যাপারে কোনো সাড়া মিলছে না বলে ঐ সমিতির নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন। আবেদনে সমিতির সাবেক সভাপতি মো. আমজাদ হোসেন জানান, মারিয়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে দেশিপাড়া ব্রিজ পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে সড়ক ব্যাপক ভাঙাচোরা ও খানা খন্দকে ভর্তি থাকার কারণে প্রায়ই মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটে এবং চলাচলের বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোহেল হাসান বলেন, আগামী সপ্তাহের শেষের দিকে সড়কটির সংস্কারের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হবে। যেসব স্থানে রাস্তা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সেখানে আরসিসি ঢালাই এবং বাকি অংশে কারপেটিং করা হবে। এতে ৩ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। আশা করছি আগামী দুই মাসের মধ্যে সড়কটির উন্নয়ন কাজ শুরু করতে পারব।