ঢাকা বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পকে 'একটি ত্রুটিযুক্ত প্রকল্প' আখ্যা দিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, এই প্রকল্প বাস চলাচলবান্ধব ছিল না। তিনি প্রকল্পটি চালু রাখতে আরও ৫০০-৬০০ কোটি টাকা ব্যয় করার বা পুরোপুরি ভেঙে ফেলার প্রস্তাব দেন। দুটি প্রস্তাবই পর্যালোচনার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
উচ্চপর্যায়ের কমিটির পর্যালোচনা
মন্ত্রী বলেন, 'প্রথম প্রস্তাব, এই প্রকল্পে আরও ৫০০-৬০০ কোটি টাকা ব্যয় করলে সুফল পাওয়া যাবে। দ্বিতীয় প্রস্তাব হচ্ছে, প্রকল্পটি ভেঙে অপসারণ করতে হবে। দুটি প্রস্তাবই পর্যালোচনা করে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি করেছি। সেই কমিটিতে পর্যালোচনা চলছে, ঈদের পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।'
তিনি আরও বলেন, 'আমার কাছে মনে হয়েছে, আরও ৫০০-৬০০ কোটি টাকা ব্যয় করে প্রকল্পটি যদি চালু রাখতে পারি, তাহলে প্রকল্পটি উচ্ছেদ করার থেকে আরও বেশি কাজে লাগানো সম্ভব হবে। তবে যেটা যুক্তিযুক্ত এবং জনবান্ধব, সে সিদ্ধান্তই নেওয়া হবে।'
গণসচেতনতামূলক সভায় বক্তব্য
রোববার (২৪ মে) দুপুরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার খাড়াজোড়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে আয়োজিত এক গণসচেতনতামূলক সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন শেখ রবিউল আলম।
সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে সড়কে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ সৃষ্টি হয়। এ সময় মহাসড়কের পাশে অবৈধ হাটবাজার বা পশুর হাট বসলে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই আগেভাগেই এসব বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
ঈদযাত্রায় নিরাপত্তার দাবি
রবিউল আলম বলেন, 'ঈদযাত্রায় হাজার হাজার মানুষ যাতে স্বস্তিতে নিরাপদে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে, আমি সেই দাবি করে গেলাম। এই চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উত্তরাঞ্চলে প্রবেশের এটাই একমাত্র সহজ মাধ্যম। আমরাও এই সড়ক দিয়েই যাই। হাজার হাজার মানুষ যাতে আপনাদের এই এলাকা নিরাপদে, ভোগান্তিহীনভাবে পার হতে পারে, এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করব।'



