ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে হাজির হয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের বহিষ্কৃত নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁরাই আসল তৃণমূল। তাঁদের সঙ্গে রয়েছে এই রাজ্যের জয়ী ৮০ বিধায়কের দুই–তৃতীয়াংশ। রাজ্যের সব বড় নেতা, বিধায়ক, সংসদ সদস্য থেকে রাজ্যের বিভিন্ন পৌরসভার সাবেক ও বর্তমান মেয়র, চেয়ারম্যান থেকে কাউন্সিলররা তাঁদের সঙ্গেই আছেন।
নির্বাচন কমিশনে প্রতিনিধিদল
ভারতের নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ডাকে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনে ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে হাজির হন ঋতব্রত। সেখানে তিনি এই দাবি করেন। পাশাপাশি তিনি এই দাবিও জানান, দলের প্রতীক ও তহবিলের অধিকার পাবেন তাঁরা। জ্ঞানেশ কুমারের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের ঋতব্রত আরও বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তো একজন চার্টার্ড বুরোক্র্যাট (সনদপ্রাপ্ত আমলা)।
প্রতিনিধিদলের সদস্য
ঋতব্রতর ১০ সদস্যের প্রতিনিধিদলে ছিলেন ৯ জন বিধায়ক ও একজন সাবেক মন্ত্রী। ঋতব্রত দাবি করেন, মমতার তৃণমূলের প্রতীক ও তহবিল এবার পাওয়ার অধিকারী তাঁর নেতৃত্বে গড়া নতুন তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও এদিন মমতার তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার এমপি বা সংসদ সদস্য সাগরিকা ঘোষ ও সৌগত রায় ক্ষোভের সঙ্গে বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দেখা করা অবৈধ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পরিচালনা করেন নির্বাচন কমিশন।
প্রতিক্রিয়া
এদিন এ ঘটনার পর মমতার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, ‘ওরা কারা? একজন ভাড়াটে মালিক দাবি করলে কী হবে? তৃণমূলের সব কর্মী এখনো মমতার সঙ্গে আছেন। তাঁরাই তৃণমূলের মূল শক্তি।’



