শেরপুর-৩ উপনির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীর ইঞ্জিনিয়ারিং অভিযোগ, বিএনপির প্রত্যাখ্যান
শেরপুর-৩ উপনির্বাচনে জামায়াতের ইঞ্জিনিয়ারিং অভিযোগ

শেরপুর-৩ উপনির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীর ইঞ্জিনিয়ারিং অভিযোগ, বিএনপি প্রত্যাখ্যান

শেরপুর-৩ আসনে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলাকালে জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান ভোটগ্রহণে সূক্ষ্ম ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বেলা ১১টায় শ্রীবরদী উপজেলার তাঁতিহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি এ অভিযোগ করেন।

জামায়াত প্রার্থীর অভিযোগের বিবরণ

জামায়াত প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান বলেন, সকাল থেকেই শ্রীবরদী উপজেলার রুপার পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে আমার এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন কেন্দ্রে তার ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, শ্রীবরদী উপজেলায় ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৫০ হাজার এবং ঝিনাইগাতী উপজেলায় ভোটার সংখ্যা এক লাখ ৬০ হাজার। দুই উপজেলায় ভোটার ব্যবধান অনেক থাকলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ম্যাজিস্ট্রেট টিম সমানভাবে দেওয়া হয়েছে। তিনি এটিকে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রমাণ হিসেবে দেখিয়েছেন। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে নিয়মমাফিক ম্যাজিস্ট্রেট দেওয়া হয়নি বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিএনপি প্রার্থীর প্রতিক্রিয়া

অন্যদিকে, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল জামায়াতের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, তাদের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। সকাল থেকেই সব ভোটকেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রুবেল আরও বলেন, জামায়াতের প্রার্থী শুরু থেকেই উগ্র, উচ্ছৃঙ্খল এবং মৌলবাদী বক্তব্য দিয়ে আসছেন। তিনি তাদের অনুরোধ করেন শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকতে। জনগণ যাদের পছন্দ করবে তাদেরই বিজয় হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এখন পর্যন্ত কোনো অনিয়ম চোখে পড়েনি এবং শেষ পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ শেষ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার বক্তব্য

জামায়াতের প্রার্থীর অভিযোগের বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন অফিসার জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, তাদের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। এটা একটা রাজনৈতিক ভাষা। তিনি উল্লেখ করেন, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। তবে মৌখিকভাবে কিছু অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে দেখা গেছে, সেগুলোর কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।

উপনির্বাচনটি শেরপুর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন মহলের পর্যবেক্ষণ ও মতামত প্রকাশিত হচ্ছে।