ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির নির্বাচনি ব্যয় ২৩ লাখ টাকা, সবচেয়ে বেশি খরচ এজেন্ট খাতে
ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির নির্বাচনি ব্যয় ২৩ লাখ টাকা

ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির নির্বাচনি ব্যয় ২৩ লাখ টাকা, আইনি সীমার মধ্যে রয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনি ব্যয় ২৩ লাখ টাকা বলে জানা গেছে। সোমবার (৩০ মার্চ) নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া নির্বাচনি ব্যয়ের রিটার্ন থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এর আগে রোববার (২৯ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনারের কাছে ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছিলেন।

ব্যয়ের খাত বিশ্লেষণ: প্রচার থেকে এজেন্ট খাতে সর্বোচ্চ ব্যয়

ইসি সচিবালয়ে জমা দেওয়া রিটার্নে উল্লেখিত ব্যয়ের খাত বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রচার-প্রচারণায় ব্যয় হয়েছে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া পরিবহন বাবদ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা, জনসভা আয়োজনের জন্য ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং নির্বাচনী ক্যাম্প পরিচালনায় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে।

রিটার্ন অনুযায়ী, নির্বাচনী ব্যয়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ ৯ লাখ ৮৪ হাজার টাকা খরচ হয়েছে এজেন্ট ও অন্যান্য স্টাফ খাতে। বর্তমান সময়ের ডিজিটাল প্রচারণার অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যয় করা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা এবং আবাসন ও প্রশাসনিক খাতে ৬৬ হাজার টাকা।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভোটার সংখ্যা ও আইনি সীমা: নির্ধারিত বাজেটের মধ্যে ব্যয়

ঢাকা-১৭ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭৭ জন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২ অনুযায়ী, নির্বাচনে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা অথবা ভোটারপ্রতি ১০ টাকা—এই দুইয়ের মধ্যে যেটি বেশি হবে, সেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে পারবেন। তারেক রহমানের ব্যয় নির্ধারিত এই সীমার মধ্যেই রয়েছে, যা আইনি দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আইনি বাধ্যবাধকতা ও জমাদানের প্রক্রিয়া

আইনি বাধ্যবাধকতা আইন অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রার্থীর নাম গেজেটে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব (ফরম-২২) দাখিল করা বাধ্যতামূলক। নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ অনুসারে নির্ধারিত ফরমে হলফনামাসহ এই রিটার্ন জমা দিতে হয় এবং এর অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে হয়।

নির্ধারিত সময়ে হিসাব জমা না দিলে জেল-জরিমানাসহ প্রার্থীর সদস্যপদ বাতিলেরও বিধান রয়েছে, যা নির্বাচনি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখে। এই প্রক্রিয়া বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার একটি উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।