বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন: সিসি ক্যামেরা সচল রাখার নির্দেশ
বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন: সিসি ক্যামেরা নির্দেশ

বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন: সিসি ক্যামেরা সচল রাখার নির্দেশনা

আগামী ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের সংসদীয় উপনির্বাচন। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করেছে। কমিশন এই দুই আসনের সব ভোটকেন্দ্রে ব্যবহৃত সিসি ক্যামেরা নির্বাচনের তিনদিন আগে থেকে সচল রাখার নির্দেশ দিয়েছে। রবিবার (১৫ মার্চ) নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সিসি ক্যামেরার ব্যবহার ও নির্দেশনা

মনির হোসেন জানান, বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচনের তিন দিন আগে থেকে ভোটকেন্দ্রের সিসি ক্যামেরা সচল রাখার জন্য বলা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, যে কক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে, সে কক্ষেই ভোট গণনা করতে হবে। নির্বাচন শেষে সিসি ক্যামেরার রেকর্ডকৃত তথ্য সংরক্ষণ করারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

শেরপুর-৩ আসনের প্রার্থী তালিকা

শেরপুর-৩ আসনে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের আবুল তালেব মো. সাইফুদ্দিন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলাম, বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মো. মিজানুর রহমান প্রার্থী হিসেবে বৈধ হয়েছেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় এই আসনের একজন বৈধ প্রার্থী মৃত্যুবরণ করায় ভোট স্থগিত করে ইসি। পরবর্তীতে নতুন তফসিল দিয়ে নির্বাচন করছে সাংবিধানিক সংস্থাটি।

বগুড়া-৬ আসনের প্রার্থী ও পটভূমি

বগুড়া-৬ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান, বিএনপির মো. রেজাউল করিম বাদশা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মো. আল আলিম তালুকদার বৈধ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে রয়েছেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এই আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচন করে জয়ী হন। কিন্তু সংসদে একই সঙ্গে দু’টো আসনের সদস্য থাকার আইন না থাকায় ঢাকা-১৭ আসনটি ধরে রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন তিনি। পরবর্তীতে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নতুন করে তফসিল দেয় কমিশন।

ভোটগ্রহণের সময়সূচি ও প্রক্রিয়া

উল্লেখ্য, আগামী ৯ এপ্রিল এই দুই আসনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করবে নির্বাচন কমিশন। ভোটগ্রহণ সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে। নির্বাচন কমিশন আশা করছে যে, সিসি ক্যামেরার ব্যবহার ভোটারদের আস্থা বৃদ্ধি করতে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করতে সহায়ক হবে। এই নির্বাচনটি স্থানীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মত প্রকাশ করেছেন।