শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচন: আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ইসির বৈঠক
শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচন: ইসির বৈঠক

শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচন: আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ইসির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের আসন্ন উপনির্বাচন আগামী ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই দুই আসনের নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) একটি জরুরি বৈঠক করেছে। বৈঠকটিতে সেনাবাহিনীসহ সব আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেছেন।

বৈঠকের সময় ও স্থান

বুধবার (১১ মার্চ) দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। ইসি কর্মকর্তারা জানান, বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের অনুষ্ঠেয় নির্বাচন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার বিষয়ে সমন্বিত পদক্ষেপ আলোচনা করা।

বৈঠকে অংশগ্রহণকারী সংস্থা

বৈঠকে অংশগ্রহণের জন্য যারা চিঠি পেয়েছিলেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিরা হলেন:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানগণ
  • জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব
  • সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার
  • মহাপুলিশ পরিদর্শক
  • বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, কোস্টগার্ড, আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক
  • ডিজিএফআই, এনএসআই, এনটিএমসি ও র‌্যাবের মহাপরিচালক
  • স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) ও সিআইডির অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক

এই বৈঠকে উপস্থিত প্রতিনিধিরা নির্বাচনী এলাকায় শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা ও কৌশল নিয়ে আলোচনা করেছেন।

নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ তারিখসমূহ

ওই দুই আসনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচন প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ তারিখগুলো হলো:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  1. আপিল নিষ্পত্তি: ১১ মার্চ
  2. প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ: ১৪ মার্চ
  3. প্রতীক বরাদ্দ: ১৫ মার্চ
  4. ভোট গ্রহণ: ৯ এপ্রিল, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত

নির্বাচন কমিশন এই বৈঠকের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টা নির্বাচনী দিনে ভোটারদের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।