ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব জমার চূড়ান্ত সময় ১৫ মার্চ
সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের ব্যয় হিসাব জমার সময় ১৫ মার্চ

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব জমার চূড়ান্ত সময় ১৫ মার্চ

নির্বাচন কমিশন (ইসি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সকল প্রার্থীর কাছ থেকে তাদের নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব দাখিলের জন্য চূড়ান্ত সময়সীমা নির্ধারণ করেছে। আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে এই হিসাব জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক হবে বলে ইসি সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি জারি

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে নির্বাচন কমিশন দেশের সকল রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে একটি দাপ্তরিক চিঠি জারি করেছে। এই চিঠিতে প্রার্থীদের নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব সংগ্রহ ও ইসিতে প্রেরণের জন্য সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিটি প্রার্থীকে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে তাদের ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে হবে।

আইনগত বিধান ও সময়সীমা

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৪৪(গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রার্থীদের নামের গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে রিটার্নিং অফিসারের কাছে ব্যয়ের হিসাব দাখিল করতে হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রার্থীদের নাম, ঠিকানা সম্বলিত গেজেট ইতিমধ্যে ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়েছে।

এই আইনগত বিধান মেনে চলার জন্য নির্বাচন কমিশন পরিপত্র-১৮ অনুযায়ী কর্মসূচি গ্রহণেরও নির্দেশ দিয়েছে। রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে দাখিল করা নির্বাচনি ব্যয়ের রিটার্নের তথ্য আগামী ২৫ মার্চের মধ্যে ইসিতে পাঠাতে হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রার্থীদের সংখ্যা ও জরুরি পদক্ষেপ

ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দুই হাজারের বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। সকল প্রার্থীকে তাদের নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব দ্রুত জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন এই প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করছে।

নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার এই প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও মজবুত ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।