বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী কে? জুবাইদা-জাইমার নামে দাবি, স্থানীয় নেতাদের তালিকাও
বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী কে? জুবাইদা-জাইমার দাবি

বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে চলছে জোরালো আলোচনা

বগুড়া-৬ (সদর) আসনে উপনির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে, যেখানে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুটি আসনে বিজয়ী হয়ে শপথ গ্রহণের আগের দিন আসনটি ছেড়ে দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে আসনটিতে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, এবং কে বিএনপির মনোনয়ন পাবেন, তা নিয়ে নানা মহলে তীব্র বিতর্ক ও আলোচনা শুরু হয়েছে।

জিয়া পরিবারের সদস্যদের প্রার্থী করার দাবি উঠেছে

কিছু মহল থেকে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান কিংবা মেয়ে জাইমা রহমানকে প্রার্থী করার দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। এই দাবিগুলো আসনটির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটকে বিবেচনায় নিয়ে উঠে এসেছে, কারণ ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এই আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছিলেন।

স্থানীয় নেতাদের মধ্যেও সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা তৈরি

জিয়া পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি, স্থানীয় নেতাদের মধ্যেও বেশ কয়েকজন সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। এর মধ্যে বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও বগুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র রেজাউল করিম (বাদশা), বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি একেএম মাহবুবুর রহমান, সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, বগুড়া-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হেলালুজ্জামান তালুকদার এবং বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর (পাভেল) এর নাম উল্লেখযোগ্য।

দলীয় সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি

বগুড়া জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন জানিয়েছেন, উপনির্বাচনের তফসিল এখনো নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেনি। তিনি বলেন, ‘তফসিল ঘোষণার পরপরই যথাসময়ে দলের হাইকমান্ড থেকে প্রার্থিতার ঘোষণা দেওয়া হবে। বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭ জিয়া পরিবারের আসন। উপনির্বাচনে জিয়া পরিবারের কেউ, নাকি অন্য কোনো নেতা প্রার্থী হবেন, সেই সিদ্ধান্ত দেবেন দলের চেয়ারম্যান।’

১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত সব কটি জাতীয় নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন, যা এই আসনের রাজনৈতিক গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনেও তারেক রহমান বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছিলেন, যা উপনির্বাচনে দলীয় প্রার্থী নির্বাচনকে আরও জটিল করে তুলেছে।