কুমিল্লার ভোটকেন্দ্রে সাত ককটেল বিস্ফোরণ, ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে
কুমিল্লার ভোটকেন্দ্রে সাত ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্ক

কুমিল্লার ভোটকেন্দ্রে সাত ককটেল বিস্ফোরণ, ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে

কুমিল্লা-১১ আসনের চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের আতাকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সাতটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে এ অতর্কিত হামলায় ভোটারদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

শান্তিপূর্ণ পরিবেশে হঠাৎ বিস্ফোরণ

সকাল থেকেই কেন্দ্রটিতে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন ছিল এবং অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছিল। তবে দুপুর ১২টার দিকে হঠাৎ করেই কেন্দ্রের চারপাশ থেকে অন্তত সাতটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। বিকট শব্দে ককটেলগুলো বিস্ফোরিত হলে প্রাণভয়ে ভোটাররা দিগ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করেন। এতে মুহূর্তের মধ্যেই কেন্দ্রের স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হয়।

সেনাবাহিনী ও বিজিবির দ্রুত হস্তক্ষেপ

ঘটনার সময় কেন্দ্র থেকে মাত্র ৩০০ মিটার দূরে অবস্থান করছিলেন সেনাবাহিনী ও বিজিবির সদস্যরা। বিস্ফোরণের খবর পাওয়ামাত্রই তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম বলেন, "কোনো একটি পক্ষ সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট করার জন্য এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে সেনাবাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।"

প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে পালটা অভিযোগ

এ ঘটনা নিয়ে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে পালটা পালটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী কামরুল হুদার নেতাকর্মীরা দাবি করেন, জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা কেন্দ্রটি দখলে নিতেই এ বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। তারা ভোটারদের ভয় দেখিয়ে কেন্দ্র থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছিল।

অন্যদিকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের সমর্থকেরা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের এই ঘটনায় স্থানীয়ভাবে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।