বাগেরহাটে নির্বাচনী সংঘর্ষে ১৯ জন আহত, অস্ত্র উদ্ধার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলায় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে আটজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সোনাতলা গ্রামে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের অবস্থা ও উত্তেজনা
আহতদের মধ্যে চারজনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং আরও চারজনকে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় বর্তমানে উত্তেজনা বিরাজ করছে, তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার পথে দাঁড়ানো ও পথ আটকানোকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটি থেকে।
আহতদের তালিকা
এতে জামায়াতে ইসলামীর সাব্বির, তরিকুল, সোবহান, নাজমা ও ফরিদাসহ ১৫ জন এবং বিএনপির রফিকুল, ছিদ্দিকসহ চারজন আহত হয়েছেন। আহতদের চিকিৎসা চলছে এবং তাদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অস্ত্র উদ্ধার ও আটক
একই দিন বেলা ১১টার দিকে কচুয়া উপজেলার বিছট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের পাশে যৌথ বাহিনী দেশীয় অস্ত্রসহ নাহিদ নামে এক যুবককে আটক করেছে। তার কাছ থেকে রামদা, লাঠিসোঁটা এবং অন্যান্য অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া বাগেরহাট সদর উপজেলার হাড়িখালী কাঠের পোল এলাকায় যৌথ বাহিনী ফার্নিচারের দোকান থেকে আরও কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে।
আধিকারিকদের বক্তব্য
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. আবদুর রউফ (এন) বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এসব দেশীয় অস্ত্র নাশকতার উদ্দেশ্যে মজুদ করা হয়েছিল। পুলিশ সুপার হাসান চৌধুরী জানান, অপরাধীদের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে আর যারা অপরাধ করবে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
এই ঘটনা নির্বাচনী সহিংসতার উদ্বেগ বাড়িয়েছে এবং স্থানীয় প্রশাসন নিরাপত্তা জোরদার করেছে বলে জানা গেছে।
