যশোরে প্রথমবারের মতো ভোট দিয়ে সামিহার 'ঈদের আমেজ' অনুভূতি
যশোর শহরের ষষ্ঠীতলাপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সামিহা আফরিন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জীবনের প্রথম ভোট দেওয়ার জন্য তিনি ১০ ফেব্রুয়ারি নিজ বাড়িতে ফিরে এসেছিলেন। বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি দুপুর পৌনে ২টার দিকে তিনি তার ভোটকেন্দ্র শহরের আব্দুস সামাদ মেমোরিয়াল অ্যাকাডেমিতে পৌঁছান।
সামিহার সঙ্গে ছিলেন তার বাবা সাবেক ব্যাংকার গোলাম এমদানি। তিনি মেয়েকে ভোট প্রদান কক্ষের সামনে পৌঁছে দিয়ে সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন। মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যে ভোটের কার্যক্রম সম্পন্ন করে বেরিয়ে আসেন সামিহা। ভোট দেওয়ার পর তিনি বলেন, 'জীবনের প্রথম ভোট খুব ভালো লাগছে। দীর্ঘদিন ছুটির ব্যাপার কেমন যেন একটা ঈদের আমেজ। সকাল থেকেই দেখছি পাড়ার লোকজন দল বেঁধে ভোটকেন্দ্রে যাচ্ছেন।'
ভোটকেন্দ্রের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ
সামিহা আফরিন যে কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন, সেখানে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ২৩৯০ এবং নারী ভোটারের সংখ্যা ২৫৪১। এই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার সাইদুজ্জামান ও মাহমুদ হাসান জানান, 'সকাল থেকেই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করছেন।'
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে ভোটগ্রহণ চলাকালীন যশোরের এই ঘটনাটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। প্রথমবারের মতো ভোট দেওয়া তরুণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের এই উদ্দীপনা দেশের ভবিষ্যতের জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত।
সামিহা আফরিনের মতো অনেক তরুণ-তরুণী এই নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ভোট দিয়ে নিজেদের নাগরিক দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের এই অংশগ্রহণ নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল ও প্রতিনিধিত্বশীল করে তুলছে।
