ঢাকা-৯ এ নির্বাচনী এজেন্টদের বাধা: তাসনিম জারার অভিযোগ, নারী এজেন্টদের হয়রানি
ঢাকা-৯ এ নির্বাচনী এজেন্টদের বাধা, নারীদের হয়রানি

ঢাকা-৯ আসনে নির্বাচনী এজেন্টদের প্রবেশে বাধা: তাসনিম জারার তীব্র অভিযোগ

ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা বৃহস্পতিবার গুরুতর অভিযোগ তুলে বলেছেন, তার নির্বাচনী এজেন্টদের, বিশেষ করে নারী এজেন্টদের, বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং হয়রানির শিকার করা হচ্ছে। তিনি সকালে খিলগাঁও মডেল কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় এই অভিযোগ করেন।

নারী এজেন্টদের উপর লক্ষ্যবস্তু

তাসনিম জারা স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন, তার নির্বাচনী এজেন্টরা বিভিন্ন অজুহাতে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারছেন না। তিনি বলেন, "আমাদের নির্বাচনী এজেন্টদের বিভিন্ন বাহানায় কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তাদের ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না, এবং নারী এজেন্টদের হয়রানি করা হচ্ছে"

তার মতে, নির্বাচনী কেন্দ্র পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ইচ্ছামতো নিয়ম তৈরি করে বাধা সৃষ্টি করছেন। তিনি দাবি করেন, নারী এজেন্টদের প্রবেশে অস্বীকৃতি জানানো হচ্ছে, কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে, বা তাদেরকে অসামঞ্জস্যপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

বিভিন্ন অজুহাত ও অসুবিধা

জারা বলেন, "আমরা গুরুতর অসুবিধার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। কিছু ক্ষেত্রে আমাদের নির্বাচনী এজেন্টদের প্রবেশে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না, আবার কিছু ক্ষেত্রে প্রবেশের পর তাদের বের করে দেওয়া হচ্ছে। মিথ্যা নিয়ম উদ্ধৃত করে অজুহাত দেখানো হচ্ছে"

তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, এজেন্টদের বলা হচ্ছে তারা সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভোটার নন, তাই প্রবেশ করতে পারবেন না। জারা এই ব্যাখ্যার কোনো আইনি ভিত্তি নেই বলে মন্তব্য করেন।

  • নারী এজেন্টদের পুরুষ-নির্ধারিত কেন্দ্র থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
  • মোবাইল ফোন ব্যবহার সংক্রান্ত দ্বন্দ্বপূর্ণ নির্দেশনা বাধা সৃষ্টির জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।
  • ঢাকা-৯ আসনের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে একই ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও নির্বাচনী প্রেক্ষাপট

ঢাকা-৯ আসনে তাসনিম জারা বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিব এবং ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির প্রার্থী জাভেদ রাসিনের বিরুদ্ধে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই অভিযোগ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে এবং নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে নারী অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

তাসনিম জারার এই অভিযোগ নির্বাচনী পর্যবেক্ষক ও সুশীল সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, এবং নির্বাচন কমিশনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করা হচ্ছে। নির্বাচনী কেন্দ্রে সকল এজেন্টের অবাধ প্রবেশ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এখন একটি জরুরি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।