হাসনাত আবদুল্লাহর ভোটদান: 'যত বেলা গড়াবে, ততই বিজয়ের দিকে এগোবো'
হাসনাত আবদুল্লাহ: 'যত বেলা গড়াবে, তত বিজয়ের দিকে এগোবো'

হাসনাত আবদুল্লাহর ভোটদান: 'যত বেলা গড়াবে, ততই বিজয়ের দিকে এগোবো'

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ নিজের ভোট দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ১০ মিনিটে দেবীদ্বার উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের গোপালনগর উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

ভোটদানের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ

ভোট দেওয়ার পর হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, 'যত বেলা গড়াবে, ততই বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে এগিয়ে যাবো আমরা।' তিনি ভোটের পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ দেখে বিজয় নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ জানান, সকাল থেকেই তিনি বিভিন্ন কেন্দ্রের খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং এখন পর্যন্ত কোথাও টেকনিক্যাল কিংবা প্রক্রিয়াগত কোনো জটিলতার খবর তার কাছে আসেনি।

প্রথমবারের ভোটারদের উৎসাহ

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, 'মানুষ উৎসাহ নিয়ে ভোট দিতে এসেছে। ভোট শুরুর অনেক আগ থেকেই লাইনে দাঁড়িয়েছে।' তিনি উল্লেখ করেন যে দেড় দশকের বেশি সময় ধরে মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি, যার কারণে মানুষের ভোট নিয়ে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।

তিনি বিশেষভাবে জেনারেশন জেড-এর প্রথমবারের ভোটারদের কথা তুলে ধরেন। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, 'বিশেষ করে আমাদের জেনারেশন জেড যারা আছে, এটা তাদের প্রথম ভোট। কারণ, তারা আগে ভোট দিতে পারেনি। আমার আসনের অন্তত ১ লাখ ৩০ হাজার ভোটারের প্রথম ভোট এই নির্বাচন।'

শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচনের আহ্বান

হাসনাত আবদুল্লাহ নির্বাচন শঙ্কামুক্ত ও উৎসবমুখর হওয়ার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, 'ভোট ভয়ের বিষয় নয়, এটি মানুষের সাংবিধানিক অধিকার। জনগণ স্বাধীনভাবে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন।'

দেবীদ্বারের মানুষের প্রতি তার আহ্বান, 'যাকে ইচ্ছা তাকেই ভোট দিন। ভোটের কারণে যেন কোনো ব্যক্তিগত সম্পর্ক নষ্ট না হয়, সেটাই প্রত্যাশা।' তিনি ভোটারদের স্বাধীন ইচ্ছায় ভোট দেওয়ার অধিকারের ওপর জোর দেন।

হাসনাত আবদুল্লাহর এই ভোটদান ও মন্তব্য ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তার আশাবাদী বক্তব্য ও ভোটারদের অংশগ্রহণে উৎসাহিত হওয়ার বিষয়টি নির্বাচনী পরিবেশের ইতিবাচক দিক হিসেবে চিহ্নিত করা যেতে পারে।