খালিদুজ্জামানের ঘোষণা: জনগণের রায়ই চূড়ান্ত, আমরা তা মেনে নেব
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামান স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, জনগণের রায়কেই তারা মেনে নেবেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভোটকেন্দ্রে ভোট প্রদানের পর তিনি এ মন্তব্য করেন।
নির্বাচন হলো জনশক্তি প্রকাশের মাধ্যম
ডা. খালিদুজ্জামান তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, জনগণই একটি দেশের সর্বোচ্চ শক্তি, আর নির্বাচন হলো সেই শক্তি প্রকাশের প্রধান মাধ্যম। তিনি বলেন, নির্বাচন কেবল সরকার পরিবর্তনের মাধ্যম নয়, বরং এটি একটি রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণেরও গুরুত্বপূর্ণ উপায়।
প্রার্থী হিসেবে কয়েকটি ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিশেষ করে সেনাবাহিনীর সদস্যরা অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। রাতভর জেগে থেকে তারা নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
ঈদের মতো উৎসবমুখর নির্বাচনী দিন
খালিদুজ্জামান নির্বাচনী দিনের পরিবেশকে ঈদ উৎসবের সাথে তুলনা করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর মানুষ এমন একটি দিন পালন করছেন যেখানে সকাল থেকেই ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে আসছেন। এমন গণতান্ত্রিক উৎসবের পরিবেশ ধরে রাখার আকাঙ্ক্ষা তার বক্তব্যে ফুটে উঠেছে।
তিনি স্বীকার করেন যে, প্রতিটি নির্বাচনে জয়-পরাজয় থাকবেই, কিন্তু জনগণের রায়কে সম্মান করা প্রতিটি রাজনৈতিক দলের কর্তব্য। তার মতে, জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস, তাই তাদের সিদ্ধান্তের মূল্যায়ন অপরিহার্য।
শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রত্যাশা
ডা. খালিদুজ্জামান আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, দেশবাসী একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার পাবে। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ ভালো আছে এবং এমন ইতিবাচক অবস্থা বজায় থাকলে গণতন্ত্রের জন্য তা মঙ্গলজনক হবে।
তার বক্তব্যের মূল সুর হলো জনগণের ভোটের প্রতি পূর্ণ আস্থা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের গুরুত্ব। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে তার এই অবস্থান রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
