ফরিদপুর-১ আসনে ভোটকেন্দ্রে রাতের প্রবেশ নিয়ে উত্তেজনা, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ
ফরিদপুর-১ আসনে ভোটকেন্দ্রে রাতের প্রবেশ নিয়ে উত্তেজনা

ফরিদপুর-১ আসনে ভোটকেন্দ্রে রাতের প্রবেশ নিয়ে উত্তেজনা, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ

ফরিদপুর-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াস মোল্লার রাতের বেলায় একটি ভোটকেন্দ্রে প্রবেশকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে মধুখালী উপজেলার গাজনা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের আশাপুর সিনিয়র মাদরাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

নিরাপত্তা বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপ

মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির মো. তাইজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, নিরাপত্তা বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপের ফলে উত্তেজনা দ্রুত প্রশমিত হয়েছে এবং কোনো ধরনের সহিংসতা বা ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

ইউএনওর কঠোর বক্তব্য

মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রওশনা জাহান বলেন, ‘রাতের আঁধারে এভাবে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের কোনো বিধান নেই।’ বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও যোগ করেন যে, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা বজায় রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জামায়াত নেতার প্রতিক্রিয়া

এ বিষয়ে ফরিদপুর জেলা জামায়াতের আমির মো. বদরুদ্দীন বলেন, ঘটনাটি তার জানা নেই। তিনি বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নিচ্ছেন বলে জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, দলীয় প্রার্থীর কোনো অনিয়মিত কার্যক্রমে জড়িত থাকার বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিক্রিয়া

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতের বেলায় ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের ঘটনায় তারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপের ফলে পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে বলে তারা মন্তব্য করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা পুনরাবৃত্তি না হয় এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আরও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছেন এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।