ভোটের আগেই মোহাম্মদপুরের দুষ্কৃতিকারী এলাকা ছেড়েছে: পুলিশ কর্মকর্তা
ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা দাবি করেছেন, ভোটের আগেই মোহাম্মদপুরের সব দুষ্কৃতিকারী এলাকা ছেড়েছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকালে মোহাম্মদপুর তিন রাস্তার মোড়ে নির্বাচন উপলক্ষে র্যাব, সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ ফুট পেট্রোল মহড়া শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
দুষ্কৃতিকারীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে
এডিসি জুয়েল রানা বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে মোহাম্মদপুরে র্যাব, সেনাবাহিনী ও পুলিশ এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করেছে, যেখানে দুষ্কৃতিকারী কিংবা বিশৃঙ্খলাকারীদের মধ্যে এখন আতঙ্ক কাজ করছে। তিনি বলেন, "এর আগে আমরা দিনদুপুরে রেট দিয়েছি এবং ইতোমধ্যে দুষ্কৃতিকারীরা এলাকা ছাড়া হয়েছে। সাংবাদিকরাও কোনও প্রশ্ন তুলতে পারেননি। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুরে দুষ্কৃতিকারীদের সাইজ করে ফেলা হয়েছে।"
সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নিরাপত্তা বাহিনীর ওয়াদা
পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ ও বিজিবির পক্ষ থেকে ওয়াদা করেছিলাম ঢাকা-১৩ আসনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সবার সহযোগিতায় এখনও পর্যন্ত শতভাগ নিরাপদ পরিবেশ বজায় রয়েছে। তিনি বলেন, "প্রচারণা যেহেতু শেষ এখন পুরো কেন্দ্র, পুরো আসন আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীর দখলে। একইসঙ্গে সাধারণ ভোটারদের নিশ্চয়তা দিতে চাই—নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে আসুন এবং নিজের ভোট দিন।"
দুষ্কৃতিকারীদের ভয় দেখানো হচ্ছে
তিনি বলেন, যারা দুষ্কৃতিকারী আছে তাদের মনে ভয় ও আতঙ্ক ঢুকিয়ে দিতে চাই। যেন ভোটের আগেই তারা মোহাম্মদপুর, আদাবর ও শেরেবাংলা নগর এলাকা ছেড়ে চলে যায়। ১২ ফেব্রুয়ারি হবে শুধু ভোটার ও প্রশাসনের দিন।
ঝুঁকিপূর্ণ আসন নেই বলে দাবি
ঢাকা-১৩ আসনের ‘ঝুঁকি’ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, কোনও ঝুঁকিপূর্ণ আসন নেই। গত ১০-১৫ দিনে এখানে আমরা একটা পাতাও পড়তে দেইনি। মারামারি, কাটাকাটি কিংবা ফাটাফাটি অনেক দূরের বিষয়।
ভোটারদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ
মোহাম্মদপুর জোনের এডিসি জুয়েল রানা আরও বলেন, সন্তান যেমন তার মায়ের কাছে সবচেয়ে নিরাপদ, তেমনই ভোটারদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করে রাখা হয়েছে। বৃদ্ধ থেকে শুরু করে যুবকদের বলছি— আপনারা ভোটকেন্দ্রে আসুন এবং নিজের ভোট প্রয়োগ করুন।
