সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি জোটের ৩৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা
নির্বাচন কমিশন (ইসি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বিএনপি জোটের ৩৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রাথমিকভাবে বৈধ ঘোষণা করেছে। এছাড়াও এক স্বতন্ত্র প্রার্থী সুলতানা জেসমিনের মনোনয়নপত্র বৈধ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং অফিসার মো. মঈন উদ্দিন খান এই ঘোষণা দেন। এসময় সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. মনির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
এনসিপি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাকি
রিটার্নিং অফিসার জানান, এনসিপি প্রার্থী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাকি রয়েছে, কারণ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র—যার মধ্যে পদত্যাগের প্রমাণপত্রও অন্তর্ভুক্ত—জমা দেওয়া হয়নি। বিধি অনুযায়ী, একজন প্রার্থীকে সরকারি চাকরি ছাড়ার পর তিন বছর পূর্ণ করতে হবে যোগ্যতা অর্জনের জন্য। তাকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আগামী ১২টা পর্যন্ত জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
আপিল ও প্রার্থী প্রত্যাহারের সময়সীমা
মো. মঈন উদ্দিন খান আরও বলেন, যাচাই-বাছাই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল রবিবার পর্যন্ত দাখিল করা যাবে, অন্যদিকে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ এপ্রিল। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আপিল ২৬ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টার মধ্যে জমা দেওয়া যাবে, শুনানি ২৭ ও ২৮ এপ্রিল নির্ধারিত হয়েছে। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ সময়সীমা ২৯ এপ্রিল, অন্যদিকে প্রতীক বণ্টন করা হবে ৩০ এপ্রিল।
বৈধ প্রার্থীদের তালিকা
বিএনপি জোটের বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন:
- সেলিমা রহমান
- শিরিন সুলতানা
- রাশেদা বেগম হীরা
- রেহানা আখতার রানু
- নেওয়াজ হালিমা আরলি
- ফরিদা ইয়াসমিন
- বিলকিস ইসলাম
- শাকিলা ফারজানা
- হেলেন জেরিন খান
- নিলুফার চৌধুরী মনি
- নিপুণ রায় চৌধুরী
- জেবা আমিন খান
- মাহমুদা হাবিবা
- সাবিরা সুলতানা
- সানসিলা জেবরিন
- সানজিদা ইসলাম তুলি
- সুলতানা আহমেদ
- ফাহমিদা হক
- আন্না মিঞ্জ
- সুবর্ণ শিকদার
- শামিম আরা বেগম স্বপ্না
- শাম্মী আখতার
- ফেরদৌসী আহমেদ
- বিতিকা বিনতে হোসেন
- সুরাইয়া জেরিন
- মানসুরা আখতার
- জাহারাত আদিব চৌধুরী
- মমতাজ আলম
- ফাহিমা নাসরিন
- আরিফা সুলতানা
- সানজিদা ইয়াসমিন
- নাদিয়া পাঠান পাপন
- শওকত আরা আখতার
- মাধবী মারমা
- সেলিনা সুলতানা
- রেজেকা সুলতানা
ভোটগ্রহণের তারিখ
সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটগ্রহণ ১২ মে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ায় এখন আপিল ও প্রত্যাহারের পর্যায় শুরু হয়েছে, যা নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করবে বলে আশা করা হচ্ছে।



