নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে গার্মেন্টকর্মী হত্যা মামলার মূল আসামি গ্রেফতার
সিদ্ধিরগঞ্জে গার্মেন্টকর্মী হত্যার মূল আসামি গ্রেফতার

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে গার্মেন্টকর্মী হত্যা মামলার মূল আসামি গ্রেফতার

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে সংঘটিত এক চাঞ্চল্যকর গার্মেন্টকর্মী হত্যা মামলার প্রধান আসামি পারভেজ ওরফে কালুকে (২২) গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১১। বুধবার র‍্যাব-১১’র কোম্পানি কমান্ডার মো. নাঈম উল হক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

হত্যার পেছনের কারণ ও মামলার বিবরণ

র‍্যাবের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পূর্ব শত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। নিহত গার্মেন্টকর্মী বিপ্লব শেখের ভাই বাদি হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় পারভেজসহ দুজনের নাম এবং অজ্ঞাত আরও ৪ থেকে ৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত পারভেজকে প্রধান আসামি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিহত গার্মেন্টকর্মীর পরিচয় ও কর্মস্থল

নিহত বিপ্লব শেখ (২৬) মুন্সিগঞ্জ সদর থানাধীন রনছ এলাকার খোরশেদ শেখের ছেলে। তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের মিতালী মার্কেটের ৫নম্বর ভবনের চারতলায় অবস্থিত আসাদ মিয়ার মিনি গার্মেন্ট কারখানায় সেলাইকর্মী হিসেবে কাজ করতেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হত্যাকাণ্ডের ঘটনাক্রম ও তদন্ত

প্রসঙ্গত, গত ৯ এপ্রিল সিদ্ধিরগঞ্জের মিতালী মার্কেটের ৫নম্বর ভবনে বিপ্লব শেখের রহস্যজনক মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। সকাল ৯টায় ওই ভবনের চতুর্থ তলায় স্ট্রোক করে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ভিকটিমের বোনকে কারখানা থেকে ফোন করে জানানো হয়। ভিকটিমের বোন ঘটনাস্থলে এসে তার মৃতদেহ অ্যাম্বুলেন্সযোগে মুন্সিগঞ্জের নিজ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যান।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মৃতদেহ গোসল করানোর সময় বিপ্লব শেখের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কাটা ও রক্তাক্ত আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। এই বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে ভিকটিমের পরিবার স্থানীয় থানায় অবগত করেন। পরে মুন্সিগঞ্জ সদর থানা থেকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় তথ্য পাঠানো হলে দুই থানার সমন্বয়ে ভিকটিমের মৃতদেহ রাত পৌনে ১০টায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় নিয়ে আসা হয়। সেখান থেকে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে র‍্যাবের দ্রুত পদক্ষেপ এবং প্রধান আসামির গ্রেফতার এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে মামলায় নাম উল্লেখিত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের জন্য তদন্ত চলমান রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।