চট্টগ্রামে ইয়াবাসহ তিন পুলিশ সদস্য গ্রেফতার, কারাগারে প্রেরণ
চট্টগ্রামে ইয়াবাসহ তিন পুলিশ গ্রেফতার

চট্টগ্রামে ইয়াবাসহ তিন পুলিশ সদস্য গ্রেফতার, কারাগারে প্রেরণ

চট্টগ্রামে ৯৩ পিস ইয়াবাসহ তিন পুলিশ কনস্টেবলকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে নগরীর খুলশী থানাধীন ফয়’স লেকের রূপসী বাংলা আবাসিক হোটেলের সামনে থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার তাদের বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং সেই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের পরিচয়

গ্রেফতারকৃতরা হলেন ভোলা জেলার মো. ফরহাদ হোসেন, ঢাকা জেলার কামরুল ইসলাম ও মো. জিহাদ হোসেন। এই তিনজনই দামপাড়া পুলিশ লাইনসে বিশেষায়িত ফোর্স (এসএএফ) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যে অভিযুক্তদের বরখাস্ত করা হয়েছে।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ

সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিকালে সময় কাটানোর জন্য ফয়’স লেকের রূপসী বাংলা আবাসিক হোটেলে যান তিন পুলিশ সদস্য। এ সময় তারা হোটেল বয় আবদুল হালিমকে একটি সিগারেটের প্যাকেট রাখতে দেন। সন্দেহ হওয়ায় হালিম বিষয়টি হোটেলের ম্যানেজারকে জানান। ঘটনা শুনে ম্যানেজার পুলিশ সদস্যদের বের করে দিতে বলেন। হোটেল বয়ের কথায় পুলিশ সদস্যরা বের হয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এ সময় পুলিশ সদস্য কামরুল সিগারেটের প্যাকেটটি রূপসী বাংলা হোটেলের পেছনে ফেলে দেন। স্থানীয়রা প্যাকেটটি উদ্ধার করে এবং ভেতর ইয়াবা দেখে হোটেলসংলগ্ন আকবরশাহ থানার পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন। সেখান থেকে পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে ফাঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে খুলশী থানায় স্থানান্তর করা হয়।

পুলিশের বক্তব্য

খুলশী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নজরুল ইসলাম বলেন, "ইয়াবাসহ তিন পুলিশ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানার এসআই জালাল বাদী হয়ে নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। সেই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাদের কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।"

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি (উত্তর) আমিরুল ইসলাম বলেন, "আইনশৃঙ্খলা বহির্ভূত কাজে সম্পৃক্ত থাকায় তিন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত হওয়ায় তাদের বরখাস্ত করা হয়েছে।"

এই ঘটনা পুলিশ বাহিনীর অভ্যন্তরে মাদক নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা গ্রেফতারের ঘটনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর স্বচ্ছতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।