কিশোরগঞ্জের ভৈরবে সংঘর্ষে ১৫ জন আহত, পুলিশ চারজনকে আটক করেছে
ভৈরবে সংঘর্ষে ১৫ জন আহত, পুলিশ চারজন আটক

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে সংঘর্ষে ১৫ জন আহত, পুলিশ চারজনকে আটক করেছে

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের মোট ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে শহরের চন্ডিবের হাসপাতালের মোড় এলাকায় সংঘর্ষ শুরু হয়ে বেলা ১টা পর্যন্ত দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া অব্যাহত ছিল।

ঘটনার সূত্রপাত ও উত্তেজনা

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, আগের দিন সোমবার রাতে চন্ডিবের হাসপাতালের মোড়ে শাহেদ আলী ও বাচ্চু মিয়ার লোকজনের মধ্যে একটি সামান্য বিষয় নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এই উত্তেজনা ক্রমশ বাড়তে থাকে এবং এর জের ধরে আজ সকালে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সরাসরি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষটি বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে চলতে থাকে, যা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়।

আহত ও চিকিৎসা

ওই সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন ব্যক্তি আহত হন, যাদের মধ্যে উভয় পক্ষের সদস্যরা রয়েছেন। আহত ব্যক্তিরা দ্রুত ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়। স্বাস্থ্যকর্মীরা আহতদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন, তবে কিছু ক্ষেত্রে গুরুতর আঘাতের খবরও পাওয়া গেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের হস্তক্ষেপ ও নিয়ন্ত্রণ

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ভৈরব সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ফয়জুল ইসলাম এবং ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান আকন্দ উপস্থিত হন। তাদের নেতৃত্বে ভৈরব থানা ও পুলিশ বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় সংঘর্ষে জড়িত থাকার সন্দেহে কয়েকজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের বক্তব্য ও ব্যবস্থা

ওসি আতাউর রহমান আকন্দ সংবাদমাধ্যমকে জানান, এই ঘটনায় উভয় পক্ষের লোকজন আহত হয়েছে এবং সংঘর্ষে জড়িত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যে চারজনকে আটক করা হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। পুলিশের দ্রুত হস্তক্ষেপ এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হয়েছে বলে স্থানীয়রা মন্তব্য করেছেন।

এই ঘটনা ভৈরব এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে সংঘাতের একটি উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, এবং কর্তৃপক্ষ ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করছে। স্থানীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে করে এলাকার নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা যায়।