নোয়াখালীতে যুবক খোকনকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ, পুলিশের তদন্ত চলছে
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় এক যুবকের অর্ধগলিত পোড়া লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির নাম মো. খোকন (৩২)। হত্যার পর লাশটি আগুনে পোড়ানো হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার বিবরণ
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোন্নাফ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, রোববার রাত ১০টার দিকে চাটখিল পৌরসভার দৌলতপুর গ্রামের মন্ত্রীর পোল সংলগ্ন ঝোপ থেকে এই মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত খোকন একই এলাকার হোসেন আলী পাটোয়ারী বাড়ির মো. ফারুক হোসেনের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, খোকন পেশায় একজন দিনমজুর ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন পেয়ে তিনি বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন।
পরিবারের পদক্ষেপ ও স্থানীয়দের দাবি
অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে শনিবার রাতে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-১৯০) করা হয়। এদিকে স্থানীয়দের দাবি, দুর্বৃত্তরা অন্যত্র তাকে পিটিয়ে-পুড়িয়ে হত্যা করে লাশ চাটখিল পৌরসভার দৌলতপুর গ্রামের মন্ত্রীর পোল সংলগ্ন ঝোপের মধ্যে ফেলে যায়।
পরে রোববার রাতে স্থানীয়রা ঝোপের মধ্যে অর্ধগলিত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
পুলিশের তদন্ত ও মামলা
এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ওসি আব্দুল মোন্নাফ আরও বলেন, "লাশটি পোড়ানো হয়েছে। তবে ফরেনসিক রিপোর্ট না পেলে এ ব্যাপারে মন্তব্য করা যাচ্ছে না। তবে এটি প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে।"
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার অজ্ঞাত নামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ এখন তদন্ত জোরদার করেছে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে।



