গাইবান্ধায় পুলিশ স্টেশনে হামলার ঘটনায় জামায়াত নেতাদের গ্রেপ্তার
পুলিশ স্টেশনে হামলায় জামায়াত নেতাদের গ্রেপ্তার

গাইবান্ধার পলাশবাড়ি থানায় পুলিশ কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চের (ডিবি) একটি যৌথ দল। রবিবার এই অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন পলাশবাড়ি উপজেলা যুব জামায়াতের বাইতুল মাল সম্পাদক পলাশ আহমেদ (৩৫) এবং পলাশবাড়ি উপজেলা জামায়াতের রুকন গোলজার রহমান (৩৪)।

গ্রেপ্তারের বিস্তারিত

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পলাশবাড়ি থানা পুলিশ ও ডিবির যৌথ দল একটি অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। জাতীয় সংবাদ সংস্থা ইউএনবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ঘটনায় এর আগে আরও তিন জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ফলে এখন পর্যন্ত এই মামলায় মোট গ্রেপ্তারের সংখ্যা পাঁচে দাঁড়িয়েছে।

ঘটনার পটভূমি

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২৫ মার্চ রাতে পলাশবাড়ি থানায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যা সাড়ে নয়টার দিকে যুব জামায়াতের নেতা-কর্মীরা থানায় প্রবেশ করে এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরওয়ার আলমসহ সাত পুলিশ সদস্যের ওপর শারীরিক আক্রমণ চালায়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই হামলায় আহত হন সাব-ইন্সপেক্টর রুহুল আমিন। তিনি জামায়াত নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ বলছে, থানায় প্রবেশ করে পুলিশ সদস্যদের ওপর সরাসরি হামলা চালানো একটি গুরুতর অপরাধ, যা কঠোর হস্তে মোকাবেলা করা হচ্ছে।

আগের গ্রেপ্তার ও আইনি পদক্ষেপ

এই ঘটনায় ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার হওয়া তিন নেতাকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। পুলিশের তদন্ত চলছে এবং আরও সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর পাওয়া গেছে, থানায় হামলার পর থেকে এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতৃত্ব এখন পর্যন্ত এই গ্রেপ্তার সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে পুলিশ বলছে, আইনের শাসন রক্ষায় যেকোনো হামলার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে। গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ি উপজেলায় এই ঘটনা স্থানীয়ভাবে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং প্রশাসনিক সতর্কতা বাড়িয়ে দিয়েছে।