গাইবান্ধায় থানায় হামলার ঘটনায় আরও দুই জামায়াত নেতা গ্রেফতার
থানায় হামলায় দুই জামায়াত নেতা গ্রেফতার

গাইবান্ধায় থানায় হামলার ঘটনায় আরও দুই জামায়াত নেতা গ্রেফতার

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে ওসি ও নারী পুলিশসহ আট জনকে মারধরের ঘটনায় আরও দুই জামায়াত নেতাকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) রাত দেড়টার দিকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের দীঘলকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের পরিচয়

গ্রেফতাররা হলেন- পলাশবাড়ী উপজেলা যুব জামায়াতের বাইতুল মাল সম্পাদক পলাশ আহমেদ (৩৫) এবং একই উপজেলার জামায়াত নেতা গোলজার রহমান (৩৪)। তারা মামলার ১ ও ৪নং আসামি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অভিযানের বিস্তারিত

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পলাশবাড়ী থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখার সমন্বয়ে গঠিত একটি দল অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করে। এর আগে এ ঘটনায় জড়িত উপজেলা জামায়াতের আরও নেতাকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫ জন গ্রেফতার করা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পলাশবাড়ী থানার ওসি সারোয়ারে আলম বলেন, "মামলার পর থেকে আসামিরা পলাতক ছিলেন। শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। রোববার দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।"

ঘটনার পটভূমি

পৌরসভার মালিকানাধীন কালিবাড়ি বাজারে একটি দোকানে তালা লাগানোকে কেন্দ্র করে উপজেলা যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পলাশের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে পলাশবাড়ী থানায় প্রবেশ করেন। তারা থানার ওসি সারোয়ারে আলমকে বিবাদমান একটি দোকান তালাবদ্ধ করতে বলেন। তিনি রাজি না হলে পলাশ ও তার লোকজন পুলিশের ওপর চড়াও হন। পরে মারধর করেন। এতে আহত হন ওসিসহ ও এসআইসহ ৮ পুলিশ সদস্য।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পরে উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন বাদী হয়ে পলাশবাড়ি থানায় ৮ জামায়াত নেতাসহ অজ্ঞানামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচ জন গ্রেফতার হয়েছেন এবং তদন্ত চলমান রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।