বায়তুল মোকাররমে পুলিশের অভিযানে ছয়জন গ্রেফতার, দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার
বায়তুল মোকাররমে পুলিশের অভিযানে ছয়জন গ্রেফতার

বায়তুল মোকাররমে পুলিশের অভিযানে ছয়জন গ্রেফতার

রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় পুলিশের একটি বিশেষ অভিযানে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এই অভিযানটি মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাতে পল্টন থানা পুলিশের সদস্যরা পরিচালনা করেন।

গ্রেফতারকৃতদের পরিচয়

গ্রেফতারকৃতরা হলেন: ইদ্রিস আলী (৪২ বছর), রুহুল আমিন (৪০ বছর), জহিরুল ইসলাম (২৯ বছর), ফিরোজ উদ্দিন (৩৭ বছর), শাহজাহান (২৯ বছর) এবং রাশেদুল ইসলাম (২০ বছর)। তাদের সকলকে বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয় এবং আদালত প্রত্যেককে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করেন।

উদ্ধারকৃত অস্ত্রের তালিকা

পুলিশের অভিযানের সময় গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে নিম্নলিখিত অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • সুইচ গিয়ার ৩৫টি
  • বিভিন্ন ধরনের চাকু ১৩টি
  • চাইনিজ কুড়াল ৩টি
  • চাইনিজ হাতুড়ি ৩টি
  • শক গান ৫টি
  • পাঞ্জা ৫টি

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার আরিফা আখতার প্রীতি এই ঘটনা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বায়তুল মোকাররম এলাকায় একটি অস্থায়ী হার্ডওয়্যারের দোকানে আকস্মিক অভিযান চালানো হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে যে গ্রেফতারকৃতরা দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।

রাজধানীতে অন্যান্য অভিযান

এদিকে, একই দিনে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও হাজারীবাগ এলাকায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে আরও ৫৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হাজারীবাগ থানা পুলিশ এই অভিযানগুলি পরিচালনা করে। যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে ১১ জনকে গ্রেফতার করে এবং তাদের কাছ থেকে ১০০ গ্রাম গাঁজা, নয় পিস ইয়াবা ও ৪৪ পুরিয়া হেরোইন উদ্ধার করে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অন্যদিকে, হাজারীবাগ থানা পুলিশ মঙ্গলবার দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে ৪৩ জনকে গ্রেফতার করে। তাদের কাছ থেকে ৩৩ পুরিয়া গাঁজা ও ২৭ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। আরিফা আখতার প্রীতি জানান, গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এই অভিযানগুলি রাজধানীতে অপরাধ দমনে পুলিশের সক্রিয় ভূমিকা তুলে ধরে। স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে এটি এলাকার নিরাপত্তা বৃদ্ধি করবে।