কারাগার থেকে মুক্তির পরই নিখোঁজ ৭০ বছরের বৃদ্ধ আবদুল মান্নান
কারাগার থেকে মুক্তির পর নিখোঁজ ৭০ বছরের বৃদ্ধ

কারাগার থেকে মুক্তির পরই নিখোঁজ ৭০ বছরের বৃদ্ধ আবদুল মান্নান

চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পরপরই নিখোঁজ হয়েছেন মো. আবদুল মান্নান (৭০) নামের এক বৃদ্ধ। ১৫ মার্চ ভোর ৫টা ২০ মিনিটে কারাগার থেকে বের হওয়ার পর থেকেই তাঁর আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর পরিবারের সদস্যরা চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

পরিবারের বর্ণনা ও স্বাস্থ্য সমস্যা

নিখোঁজ আবদুল মান্নান মেহেরপুর সদর উপজেলার কাঁসারীপাড়ার বাসিন্দা। তাঁর ছেলে আসিফ হাসান জানান, তাঁর বাবা একজন স্ট্রোকের রোগী এবং বর্তমানে মানসিকভাবে কিছুটা ভারসাম্যহীন অবস্থায় রয়েছেন। এছাড়া তিনি এক চোখে দেখতেও পারেন না। নিখোঁজের সময় আবদুল মান্নানের পরনে ছিল পায়জামা ও গেঞ্জি।

আসিফ হাসান আরও বলেন, "আমরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেছি, কিন্তু বাবার কোনো সন্ধান পাইনি। তিনি স্বাস্থ্যগত সমস্যায় ভুগছেন, তাই আমাদের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের তদন্ত ও অনুরোধ

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, "নিখোঁজ ব্যক্তির ছেলে থানায় এসে জিডি করেছেন। আমরা ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে একজন উপপরিদর্শককে দায়িত্ব দিয়েছি।"

তিনি আরও জানান, কেউ যদি আবদুল মান্নানের সন্ধান পান, তবে তাঁকে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় অথবা সরাসরি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে। পুলিশ সম্ভাব্য সব উপায়ে খোঁজাখুঁজি চালাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

ঘটনার পটভূমি

জানা গেছে, আবদুল মান্নান তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর করা একটি মামলার কারণে কারাগারে ছিলেন। ১৫ মার্চ ভোরে মুক্তি পাওয়ার পর কারাগারের ফটক থেকে তিনি নিখোঁজ হয়ে যান। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত পদক্ষেপ নিলেও বিষয়টি গণমাধ্যমে আসতে কিছুটা সময় লেগেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আবদুল মান্নান এলাকায় একজন পরিচিত ব্যক্তি ছিলেন এবং তাঁর স্বাস্থ্যগত অবস্থার কারণে অনেকেই তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত। পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন তাঁর দ্রুত সন্ধান পাওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন।