র‍্যাব সদস্য হত্যা মামলায় ২০ জন গ্রেপ্তার, চলছে তদন্তের ধারাবাহিক অভিযান
র‍্যাব সদস্য হত্যায় ২০ জন গ্রেপ্তার, চলছে অভিযান

র‍্যাব সদস্য হত্যা মামলায় ২০ জন গ্রেপ্তার, তদন্তে নতুন মোড়

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সালিমপুর এলাকায় র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) সদস্য ডিএডি আব্দুল মোতালেব হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। র‍্যাব-৭ ও চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ১৩ জনকে র‍্যাব ও ৭ জনকে পুলিশ আটক করেছে।

শনিবার দুপুরে র‍্যাব-৭-এর সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এআরএম মোজাফফর হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

ঘটনার সূত্রপাত ও অভিযানের বিবরণ

র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, ১৯ জানুয়ারি সশস্ত্র অপরাধীদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে র‍্যাব-৭ সদস্যরা জঙ্গল সালিমপুর এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালীন অপরাধীরা র‍্যাব সদস্যদের ওপর হঠাৎ হামলা চালায়, যার ফলে চার র‍্যাব সদস্য গুরুতর আহত হন। আহতদের চট্টগ্রাম সিএমএইচ-এ নেওয়া হলে ডিউটি ডাক্তার আব্দুল মোতালেবকে মৃত ঘোষণা করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, ২২ জানুয়ারি র‍্যাব-৭ সীতাকুণ্ড থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলায় ২৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং ১৫০ থেকে ২০০ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।

ধারাবাহিক অভিযান ও গ্রেপ্তার

মামলা দায়েরের পর থেকে র‍্যাব-৭ বিভিন্ন সময়ে একাধিক অভিযান পরিচালনা করে এবং বেশ কয়েকজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে। সর্বশেষ, ২৭ মার্চ তালিকাভুক্ত আসামি ৩৫ বছর বয়সী মো. পারভেজকে নোয়াখালীর কবিরহাটের নবগ্রাম থেকে র‍্যাব-১১ নারায়ণগঞ্জের যৌথ অভিযানে আটক করা হয়। একই দিনে, ৩০ বছর বয়সী মো. বেলালকে চট্টগ্রামের উদালিয়া থেকে এবং ২৬ বছর বয়সী সাইদুল ইসলামকে শহরের শেরশাহ বাংলাবাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এর আগে, ২৩ মার্চ ১৯ বছর বয়সী মিজানুর রহমান সোহানকে সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট এলাকা থেকে আটক করা হয়। এছাড়াও, ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসজুড়ে চট্টগ্রাম মহানগর এলাকা, সীতাকুণ্ড, কক্সবাজার এবং নোয়াখালীর বিভিন্ন থানা এলাকায় আরও অভিযান চালানো হয়, যার ফলে তদন্তে শনাক্ত কয়েকজন নামজাদা ও পলাতক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অন্যান্য গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সেলিম, সেকেন্দার মিয়া আলias ইয়াকুব, ইউনুস আলী হাওলাদার, খন্দকার জাহিদ হোসেন, আলিরাজ হাসান আলias সাগর, মিজান, মামুন, শাহজাহান এবং শফিকুল ইসলাম আলias মাস্টার শফিকুল ইসলাম।

র‍্যাব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হত্যা মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে নজরদারি ও অভিযান চলমান রয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।