রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে যুবদল নেতা ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার, দল থেকে বহিষ্কার
রাঙামাটিতে যুবদল নেতা ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার, বহিষ্কার

রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে যুবদল নেতা ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় যুবদলের এক নেতা ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে বিজিবি তাঁকে আটক করে থানায় সোপর্দ করে। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁকে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির পরিচয়

গ্রেপ্তার যুবদল নেতার নাম মো. নুর কবির (৩২)। তিনি উপজেলার পশ্চিম মুসলিম ব্লক এলাকার বাসিন্দা মৃত জামাল হোসেনের ছেলে। তিনি যুবদলের বাঘাইছড়ি পৌর শাখার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে সংগঠনটি।

দলীয় প্রতিক্রিয়া

বাঘাইছড়ি পৌর যুবদলের সদস্যসচিব ওমর ফারুক জানান, তাঁরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানতে পারেন পৌর যুবদলের সদস্য মো. নুর কবির ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয়েছেন। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজে নিয়োজিত থাকার অভিযোগে তাঁকে অবিলম্বে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি বলেন, "যে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে দল কঠোর অবস্থান বজায় রাখে।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অভিযানের বিস্তারিত

বিজিবির বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, নুর কবির মাদক বিক্রির উদ্দেশে উপজেলার মুসলিম ব্লক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে অবস্থান করছিলেন। এ খবর পেয়ে অভিযান চালায় বিজিবি। মারিশ্যা ব্যাটালিয়নের (২৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাহিদুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় নায়েব সুবেদার মো. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়। ঘটনাস্থল থেকে নুর কবিরকে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তাঁর লুঙ্গির গিঁটের ভেতর পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ১৪টি ইয়াবা বড়ি পাওয়া যায়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের বক্তব্য

বাঘাইছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাছির উদ্দিন মজুমদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, "ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেকেই মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। পুলিশ ও বিজিবির যৌথ অভিযানকে তারা স্বাগত জানিয়েছেন, যা অপরাধ দমনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।