মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের শুভ উপলক্ষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে এক বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর ১৮ জন মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার পদমর্যাদার জুনিয়র কমিশন্ড অফিসারকে অনারারি লেফটেন্যান্ট পদে অনারারি কমিশন প্রদান করা হয়েছে। এই সম্মাননা সেনাবাহিনীর সদস্যদের দীর্ঘদিনের সেবা ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তালিকা
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন শাখা থেকে নির্বাচিত এই ১৮ জন কর্মকর্তা হলেন:
- মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন, আর্মার্ড
- মো. আ. কাইয়ুম, আর্টিলারি
- মো. মোহাররম হোসেন, আর্টিলারি
- মো. সাইফুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার্স
- মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম শিকদার, ইঞ্জিনিয়ার্স
- মো. ইসমাইল হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার্স
- মো. শহিদুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার্স
- মো. আবদুল কাদের, সিগন্যালস্
- কাজী মোকাররম হোসেন, ই বেঙ্গল
- মো. হাবিবুর রহমান, ই বেঙ্গল
- মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, ই বেঙ্গল
- মোহাম্মদ কিবরিয়া কামাল, ই বেঙ্গল
- মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, ই বেঙ্গল
- মো. খালেদ মোর্শেদ নীরব, বীর
- শেখ কামাল উদ্দিন, এএসসি
- ওবায়দুর রহমান সেখ, ইএমই
- মো. আবুল হাশেম, ইএমই
- মো. আব্দুল কাদের, সিএমপি
কমিশনের কার্যকর তারিখ
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সেনাবাহিনীর এই অনারারি কমিশন ২৬ মার্চ ২০২৬ তারিখ থেকে কার্যকর হবে। এই তারিখটি মহান স্বাধীনতা দিবসের সাথে মিল রেখে নির্ধারণ করা হয়েছে, যা দেশের গৌরবময় ইতিহাসের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর একটি অংশ।
এই পদোন্নতি শুধুমাত্র ব্যক্তিগত সম্মানের বিষয় নয়, বরং এটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সামগ্রিক শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের প্রতিফলন ঘটায়। দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এইসব কর্মকর্তাদের নিরলস প্রচেষ্টা ও ত্যাগের জন্য এই সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে।
সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন যে, এই ধরনের পদোন্নতি সামরিক বাহিনীতে অনুপ্রেরণা ও মনোবল বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি অন্যান্য সদস্যদেরও উৎসাহিত করবে দেশের সেবায় আরও নিবেদিত হতে।



