লক্ষ্মীপুরে আধিপত্যের সংঘাতে গোলাগুলি: ৮ জন গ্রেফতার, আহত ২
লক্ষ্মীপুরে গোলাগুলিতে ৮ গ্রেফতার, আহত ২

লক্ষ্মীপুরে আধিপত্যের সংঘাতে গোলাগুলি: ৮ জন গ্রেফতার, আহত ২

লক্ষ্মীপুর জেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুটি গ্রামের মধ্যে সংঘাতের জের ধরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার বিবরণ ও গ্রেফতার

চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের দেওপাড়া গ্রাম ও শেখপুর গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে আধিপত্য নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়। সোমবার (২৩ মার্চ) মারামারির পর মঙ্গলবার আবারও উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এই সংঘর্ষে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে, যাতে একজন পথচারী গুলিবিদ্ধ হন এবং অপর একজনকে চেইন দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়।

বুধবার (২৫ মার্চ) সারাদিন ধরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৮ জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন: দিদারুল ইসলাম মেহেরাজ, আব্দুর রহমান আকাশ, সাজ্জাদ হোসেন রিফাত, আয়ান হোসেন মিলন, আরিফ হোসেন, হৃদয় হোসেন, মো. সাকিব ও মেহেরাজ হোসেন ইমন। তারা দেওপাড়া, লতিফপুর, পশ্চিম লতিফপুর ও পাঁচপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আহতদের অবস্থা ও প্রশাসনের বক্তব্য

গুলিবিদ্ধ আব্দুর রহিম নামের পথচারী বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি শেখপুর গ্রামের শামছুল হকের ছেলে এবং পেশায় গাছ ব্যবসায়ী। অন্যদিকে, মানিক নামের অপর আহত ব্যক্তিকে চেইন দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়। তিনি সদর উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নের পূর্ব জাফরপুর গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে। স্থানীয়রা উভয়কে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করান।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (অর্থ ও প্রশাসন) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বুধবার রাতে ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ৫৪ ধারায় গ্রেফতারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সংঘাতের নেতৃত্ব ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রমতে, দেওপাড়া গ্রামের পক্ষে রাকিব পাটওয়ারী এবং শেখপুর গ্রামের পক্ষে মিতুল নামে একজন নেতৃত্ব দিয়েছেন। আধিপত্য নিয়ে এই সংঘাত কয়েকদিন ধরে চলছিল, যা শেষ পর্যন্ত গোলাগুলির ঘটনায় রূপ নেয়।

লক্ষ্মীপুরে এই ধরনের সহিংস ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। পুলিশ ও প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে গ্রেফতার কার্যক্রম চালিয়েছে, যা অঞ্চলের শান্তি-শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধারে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।