আদাবরে পুলিশের টহল দলের সামনেই ব্যাটারি দোকানে চুরি, মামলা রেকর্ড বিলম্ব
আদাবরে পুলিশের সামনে চুরি, মামলা রেকর্ড বিলম্ব

আদাবরে পুলিশের টহল দলের সামনেই চুরি: মামলা রেকর্ডে বিলম্ব

রাজধানীর আদাবর থানার মুনসুরাবাদ হাউজিং এলাকায় একটি ব্যাটারি ও টায়ারের দোকানে বড় অঙ্কের চুরির ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২২ মার্চ) দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটায় ১০ নম্বর রোডের ওই দোকান থেকে নগদ টাকাসহ অন্তত ১৭ লাখ টাকার মালামাল চুরি হয়।

ঘটনার বিবরণ ও পুলিশের ভূমিকা

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, চোরচক্রের সদস্যরা একটি ট্রাক নিয়ে এসে দোকানের সামনে রাখে এবং মালামাল তুলে নেয়। এই সময় একটি পিকআপ গাড়ি ট্রাকের পাশ দিয়ে বিপরীত দিকে চলে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ওই পিকআপটি পুলিশের টহল গাড়ি ছিল। ঘটনার পর পুলিশকে ফোন করা হলে ওই গাড়িতেই পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. শাহিন (৩৯) সোমবার (২৩ মার্চ) আদাবর থানায় মামলার আবেদন করেন, কিন্তু ঘটনার দুই দিন পরেও মামলা রেকর্ড হয়নি। আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউর রহমান মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যায় বলেন, ‘টহল দলটি হয়তো ধারণা করেছিল ট্রাকটি ওখানে পার্কিং করে রাখা হয়েছে।’ মামলার বিষয়ে তিনি উল্লেখ করেন, ‘ভুক্তভোগীর অভিযোগের বিষয়টি আমার নজরে ছিল না। শিগগিরই মামলা রেকর্ড করা হবে। এছাড়া ট্রাকটি শনাক্তে আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

চুরির বিস্তারিত ও সিসিটিভি ফুটেজ

ব্যবসায়ী শাহিন মামলার আবেদনে উল্লেখ করেন, রোববার রাত ১০টায় দোকান বন্ধ করে বাসায় চলে যাওয়ার পর রাত ২টায় চুরির ঘটনা ঘটে। দোকানের সিসিটিভিতে ২টা থেকে ২টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত কোন ফুটেজ পাওয়া যাচ্ছে না। এই সময়ে দোকান থেকে ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকার মালামাল এবং অনুমানিক ২ লাখ ২০ হাজার নগদ টাকা চুরি হয়।

৫ থেকে ৬ জন লোক একটি ট্রাক নিয়ে চুরি করতে আসে। এসময় পাশের ভাঙ্গারি দোকান এবং রিক্সার গ্যারেজের লোকজন চোরদের ধাওয়া দেয় এবং ট্রাকের নাম্বারটি দেখতে সক্ষম হয়। ট্রাকের ছবি অপর একটি সিসিটিভি ক্যামেরা থেকে পাওয়া গেছে, যা তদন্তে সহায়তা করতে পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই ঘটনায় পুলিশের টহল দলের উপস্থিতি সত্ত্বেও চুরি প্রতিরোধ না হওয়া এবং মামলা রেকর্ডে বিলম্ব প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। আদাবর পুলিশের পক্ষ থেকে দ্রুত তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।