রাজধানীতে তিন সন্দেহভাজন অপরাধী গ্রেপ্তার, উদ্ধার অস্ত্র ও গাড়ি
রাজধানীতে তিন অপরাধী গ্রেপ্তার, উদ্ধার অস্ত্র ও গাড়ি

রাজধানীতে তিন সন্দেহভাজন অপরাধী গ্রেপ্তার, উদ্ধার অস্ত্র ও গাড়ি

রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও খিলগাঁও এলাকায় পৃথক অভিযানে তিন সন্দেহভাজন অপরাধী গ্রেপ্তার হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছে 'শীর্ষ স্তরের' একজন ফেরারি আসামি। অভিযানে দুটি পিস্তল, গোলাবারুদ ও একটি ব্যক্তিগত গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।

মোহাম্মদপুরে র্যাবের অভিযান

মোহাম্মদপুরে র্যাব-২ শনিবার রাতে রুবেল, উপনাম 'ডাগি রুবেল' (২৭) নামে একজন কুখ্যাত অপরাধীকে গ্রেপ্তার করেছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বাবর রোড এলাকায় সশস্ত্র ব্যক্তিদের জমায়েতের খবর পেয়ে একটি র্যাব দল অভিযান চালায় এবং রুবেলকে একটি দেশীয় পিস্তলসহ আটক করে।

র্যাব-২ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. শামসুল ইসলাম জানান, রুবেলের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অন্তত পাঁচটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তিনি মোহাম্মদপুর ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অস্ত্র ও মাদক ব্যবসাসহ নেতৃত্বমূলক অপরাধ কর্মকাণ্ডের জন্য কুখ্যাত।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

খিলগাঁও পুলিশের অভিযান

অন্যদিকে, রোববার ভোরে খিলগাঁও পুলিশ আরও দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের পরিচয় মো. শাফায়েত হোসেন, উপনাম সেন্টু (৪৪) এবং মো. সবুজ, উপনাম ইমন (২৫)। শেখের জায়গা এলাকায় একটি ব্যক্তিগত গাড়ির ভেতর অবস্থানকালে তাদের আটক করা হয়।

গাড়ি তল্লাশিতে পুলিশ একটি বিদেশি পিস্তল, চার রাউন্ড গোলাবারুদ ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করে। খিলগাঁও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতরা একটি সংগঠিত অপরাধ চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং তারা এলাকায় ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে জমায়েত হয়েছিল।

শাফায়েতের বিরুদ্ধে আগে থেকেই হত্যা, অস্ত্র ও মাদক সংক্রান্ত চারটি অভিযোগ রয়েছে। সবুজের বিরুদ্ধে ডাকাতি ও চুরির দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আইনি পদক্ষেপ

সবাইকে গ্রেপ্তারের পর সংশ্লিষ্ট থানায় অস্ত্র আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। এরপর তিন সন্দেহভাজনকেই আদালতে পাঠানো হয়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর এই সমন্বিত অভিযান রাজধানীতে অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

এই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও, পুলিশ ও র্যাবের দ্রুত পদক্ষেপকে তারা স্বাগত জানিয়েছেন। কর্তৃপক্ষ বলছে, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।