নারায়ণগঞ্জে শিশু অপহরণ: পুলিশ সুপার মুন্সীর সংবাদ সম্মেলনে উদ্ধার ও গ্রেপ্তারের বিস্তারিত
নারায়ণগঞ্জে শিশু অপহরণ: উদ্ধার ও গ্রেপ্তারের বিস্তারিত

নারায়ণগঞ্জে শিশু অপহরণ: পুলিশের দ্রুত অভিযানে উদ্ধার ও গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকা থেকে একটি শিশু অপহরণের ঘটনায় পুলিশের দ্রুত অভিযানে শিশুটিকে উদ্ধার এবং অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ শনিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী।

অপহরণের ঘটনা ও উদ্ধার প্রক্রিয়া

পুলিশ সুপার মুন্সী জানান, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বন্দর এলাকা থেকে শিশু মোহাম্মদ হোসেনকে অপহরণ করা হয়। শিশুটির বয়স ৯ বছর এবং সে একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। অপহরণকারী আলী হোসেন পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা এবং তিনি পেশায় ট্রাকচালকের সহকারী। অপহরণের পরপরই অপহরণকারী শিশুটির পরিবারের কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং টাকা না দিলে শিশুটিকে হত্যার হুমকি দেয়।

পরিবারের সদস্যরা প্রথমে বিকাশের মাধ্যমে ১৫ হাজার টাকা পাঠালে, আলী হোসেন শিশুটিকে রাজধানীর শ্যামপুর এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতে তালাবদ্ধ করে রেখে নিজের গ্রামের বাড়িতে চলে যায়। পরিবারের অভিযোগের পর পুলিশ দ্রুত অভিযান শুরু করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অপহরণকারীর অবস্থান শনাক্ত করে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গ্রেপ্তার ও উদ্ধার কার্যক্রম

গতকাল শুক্রবার রাতে ইসলামপুর থেকে আলী হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর মুঠোফোন জব্দ করা হয় এবং বিকাশে নেওয়া ১৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রাত আড়াইটার দিকে শ্যামপুরের ওই তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে শিশু মোহাম্মদ হোসেনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার আরও উল্লেখ করেন, এ ঘটনায় জড়িত আলী হোসেনের আরও দুই সহকারীকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। বন্দর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানানো হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিতি

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপরেশন) তারেক আল মেহেদীসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ সুপার মুন্সী শিশুটির নিরাপদ উদ্ধার এবং অপহরণকারীর গ্রেপ্তারে পুলিশের সফলতা তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দেন।

এই ঘটনা শিশু অপহরণের মতো গুরুতর অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশের দ্রুত সাড়া প্রদানের একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা জনগণের মধ্যে নিরাপত্তা বোধ জাগিয়ে তুলছে।