মাদারীপুরে আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৭, ককটেল বিস্ফোরণে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক
মাদারীপুরে আধিপত্য সংঘর্ষে আহত ৭, ককটেল বিস্ফোরণ

মাদারীপুরে আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষে আহত সাত, ককটেল বিস্ফোরণে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক

মাদারীপুর সদর উপজেলার বালিয়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত সাত জন আহত হয়েছেন। এ সময় বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়, যা পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত সদর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের বালিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

সংঘর্ষের পটভূমি ও ঘটনার বিবরণ

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সদর উপজেলার বালিয়া গ্রামের নাসির হাওলাদারের সঙ্গে একই এলাকার আইয়ুব আলী মাতুব্বরের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। বুধবার সকালে আইয়ুব আলীর মেয়ে সুমাইয়া আক্তারের সঙ্গে নাসির হাওলাদারের স্ত্রী রুনি বেগমের বাগবিতণ্ডা হয়।

এ নিয়ে দুপুরে নাসির হাওলাদারের স্ত্রী ও মেয়ে দুজনে মিলে সুমাইয়াকে মারধর করেন। এরই সূত্র ধরে রাতে নাসির হাওলাদার ও আইয়ুব আলীর লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ান। সংঘর্ষে সাত জন আহত হন এবং একাধিক ককটেল বিস্ফোরণে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশ ও র‌্যাবের হস্তক্ষেপ

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে র‌্যাব ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ও র‌্যাব গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কয়েকজন আহত হয়েছেন। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এখন পর্যন্ত কোনও পক্ষ থানায় অভিযোগ দেয়নি।’

এ বিষয়ে জানতে নাসির হাওলাদার ও আইয়ুব আলী মাতুব্বরের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও তারা রিসিভ করেননি বলে জানা গেছে।

পরবর্তী পদক্ষেপ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষের পর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এ ধরনের সংঘর্ষে এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হচ্ছে এবং তারা দ্রুত সমাধান কামনা করছেন।