সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হামলার ঘটনায় চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
সোহরাওয়ার্দী উদ্যান হামলায় চার পুলিশ প্রত্যাহার

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হামলার ঘটনায় চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে শিক্ষার্থী ও দায়িত্বরত সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় চার পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মাসুদ আলম মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, চারজনকে ক্লোজড করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ

সোমবার রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে দুই সাংবাদিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাঈম উদ্দীনসহ কয়েকজন দর্শনার্থী পুলিশের মারধরের শিকার হন। ভুক্তভোগী দুই সাংবাদিক হলেন বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের তোফায়েল আহমেদ (২৫) এবং আজকের পত্রিকার কাউসার আহমেদ রিপন (২৭)।

সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একদল পুলিশ সদস্য তোফায়েলকে লাঠি দিয়ে নির্বিচারে পেটাচ্ছেন। পরে অন্য পুলিশ সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যান।

বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ

শিক্ষার্থী নাঈম উদ্দীনসহ দুই দর্শনার্থীর ওপর 'পুলিশি হামলার' প্রতিবাদে মঙ্গলবার শাহবাগ থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান তার সতীর্থরা। তারা দুপুর ১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত থানার সামনে জড়ো হয়ে তিনটি দাবি তুলে ধরে বিক্ষোভ করেন। পরে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসে বিক্ষোভকারীরা থানার সামনে থেকে চলে যান।

প্রত্যাহারকৃত চার পুলিশ সদস্য শাহবাগ থানায় কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাদের নাম এখনো প্রকাশ করা হয়নি। মাসুদ আলম বলেন, "চারজনকে ক্লোজ করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।"

এই ঘটনা নিয়ে সামাজিক মাধ্যম ও গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ঘটনার তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।